ঢাকা: স্বাধীনতার এত বছর পর রাজাকার আর রাজাকারের ছেলেরা সব সংসদে। সংসদ কালিমালিপ্ত হলো ১২ মার্চের দিনটিতে।
আর মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তানেরা জেলে! ৩০ লক্ষ বাঙালিকে হত্যা করে,২ লক্ষ নারীকে ধর্ষণ করে রাজাকার আবার বাংলাদেশের সংসদে।
এই সংসদে বসে রাজাকার ঠিক করবে বাংলাদেশ কিভাবে চলবে। হায়রে অভাগা বাংলাদেশ….! অভাগা মুক্তিযোদ্ধারা।
যারা এই দেশের জন্মের বিরোধিতা করেছে,
এখনো কথায় আচার আচরণে, লেবাসে, অন্তরে, কাজেকর্মে পাকিস্তানী ভাবধারা লালন করে তারা আজ মহান সংসদ বসে।
মা বোনদের ধর্ষণকারীদের আমরা পুরস্কৃত করেছি! বাহ! মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী আজ দাঁত কেলিয়ে হাসছে! আর বলছে জুলাই না হলে সংসদে আসতে পারতো না।

এই দেশের জন্মে যাদের ন্যূনতম ভুমিকা নাই তারা ধর্মকে পূঁজি করে ভালো মানুষ সেজে বসে আছে।
আর সাথে আছে তাদের ছানাপোনা!
১৯৭১ সালে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের সময় ভয়াবহ মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জামাত-ই-ইসলামির শীর্ষ নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামকে আদালত থেকে পুরোপুরি খালাস দেয়া হয়েছে।
অথচ আজ পুলিশ হত্যাকারীদের মামলা নাকচ করে আদালত।
যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের সময় ধর্ষণ, গণহত্যা ও পাকিস্তানি বাহিনীকে সহযোগিতা করার মতো ভয়ঙ্কর অভিযোগ ছিল, তাঁকে প্রায় ১১ বছর কারাবন্দি থাকার পর মুক্তি দিয়েছে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত।
এবং সব হয়েছে ম্যাটিকুলাস ডিজাইনে।
আজহারুল ইসলাম ছিলেন জামাত ই ইসলামির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল। ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাঁকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে।
অভিযোগ ছিল, তিনি রংপুর অঞ্চলে আলবদর বাহিনী গঠন করে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হয়ে গণহত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ২০১৫ সালে তিনি আপিল করেন। শুনানি শেষে ২০১৯ সালে বাংলাদেশের আপিল বিভাগ মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে।
কিন্তু পরে রিভিউ আবেদনের ভিত্তিতে ফের শুনানি হয় এবং ২০২৫ সালের ২৭ মে সর্বসম্মত রায়ে তাঁকে নির্দোষ বলে ঘোষণা করে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
অবশ্য ইউনূসের কালে সব জঙ্গীরাই মুক্তি পেয়েছে।
আর আজ সেই জঙ্গী রাজাকার সংসদে!
