ঠাকুরগাঁও: বাউলরা বলে, খোদা মানুষের ভেতরে। মসজিদ-মন্দিরের চেয়ে মানুষের হৃদয় বড়। লালন ফকির বলেছিলেন, “মসজিদ ভাঙলে আল্লা কি কাঁদে, মানুষ ভাঙলে কেউ নাই।” এই দর্শন ওহাবিদের কাছে বিপজ্জনক।

ওহাবিবাদের ভিত্তি হলো কঠোর নিয়ন্ত্রণ, ধর্মীয় পুলিশিং, বাহ্যিক আচার-অনুষ্ঠানের কঠোরতা। বাউলরা বলে ধর্ম মানে আত্মার মুক্তি, ওহাবিরা বলে ধর্ম মানে শৃঙ্খলা। দুটো একসাথে চলতে পারে না।তাই বাউলরা বারবার টার্গেট হচ্ছে।

সারাদেশে বাউল সাধকদের ওপর হামলার বিচার ও বাউল আবুল সরকারের মুক্তির দাবিতে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। আর সেই আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে পর্যন্ত হামলা চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো দুইজন বাউলশিল্পী।

বুধবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে শহরের কোর্ট চত্বরে এই প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে সম্প্রীতির ঐক্যের ব্যানারে জেলার সাংস্কৃতিক কর্মীরা।

এ সময় হঠাৎ করে তৌহিদী জনতার নামে একটি সংগঠনের সমর্থকরা বাউল বিরোধী স্লোগান দিতে দিতে আসে, এবং অতর্কিতে সেখানে হামলা চালায়।

হামলার ঘটনায় সদরের পাচবিবি এলাকার সামছুল হক চিসতি এবং হটাত পাড়ার মোখলেছ পাগলা আহত হয়।

তবে এমন নির্লজ্জ ঘটনায় একজনকেও আটক করতে পারেনি ইউনূসের পুলিশ।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *