ঢাকা: প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রিয়াজের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ ও জোরপূর্বক গর্ভপাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

তবে অভিযোগ তো উঠেছে উঠেছেই, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কোনো তদন্ত না করে উল্টো ভুক্তভোগী নারী অতন্দ্রা নূরীকে গ্রেফতার করে কারাগারে প্রেরণ করা হলো।

এখানে অন্তর্বর্তী সরকারের পথচলা একেবারেই পরিষ্কার জনগণের কাছে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও প্রভাবশালী রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক আলী রিয়াজের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও জোরপূর্বক গর্ভপাতের মতো গুরুতর অভিযোগ ওঠার পর, তার পাশে দাঁড়িয়েছে খোদ সরকার।

সরকার যদি অভিযুক্তের পাশে দাঁড়ায়, তাহলে আর কে কথা বলবে?
অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের পরিবর্তে ভুক্তভোগী নারীকে গ্রেফতার এবং প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে পাল্টা হুমকির ঘটনায় জনমনে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

উল্লেখযোগ্য যে, অভিযোগ ও ভুক্তভোগীর আর্তি
অভিযোগকারী নারী অতন্দ্রা নূরী (রিপা) সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় জানান, ২০২৩ সালে অধ্যাপক আলী রিয়াজের সঙ্গে তাঁর সখ্যতা গড়ে ওঠে।

তাঁকে আমেরিকায় নিয়ে যাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এবং নিজের ভ্যাসেকটমি করা আছে—(অর্থাৎ বাচ্চা হবে না) এইসব আবোল তাবোল মিথ্যা তথ্য দিয়ে আলী রিয়াজ তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন।

কিন্তু ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে রাজনৈতিক ভয়ভীতি দেখিয়ে ধানমন্ডি গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে তাঁকে জোরপূর্বক গর্ভপাত করানো হয়।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে গ্রেফতারের আগে ওই নারী বলেছিলেন, “পুলিশ আমাকে গুম করার হুমকি দিচ্ছে। ধর্ষক ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকায় আমি বিচার তো পেলামই না, উল্টো আমাকেই অপরাধী বানানো হচ্ছে।”

আরো বিস্ময়কর ঘটনাটি ঘটে যখন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দপ্তরের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়।

বিবৃতিতে আলী রিয়াজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করা হয়েছে।

সেখানে বলা হয়, অধ্যাপক আলী রিয়াজ ওই নারীকে চেনেন না।

সরকারের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, এ ধরনের ‘মানহানিকর’ বক্তব্য প্রচার বন্ধ না করলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আলী রিয়াজকে বাঁচানোর এত দরদ ইউনূসের কেন?

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *