ঢাকা: বিএনপির অন্তরে এখনও ‘পেয়ারে পাকিস্তান’ রয়ে গেছে।
বিএনপির আমলে প্রতিটি রাজনৈতিক ইস্যুতে পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে সহযোগিতা রয়েছে।
আর সে পরিবেশে খালেদা জিয়ার অসুস্থতার খবরে পাকিস্তান তো উদ্বেগ প্রকাশ করবেই।
দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্য ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায়ও পাকিস্তানের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। যে গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়েছে সেটাও পাকিস্তান থেকে এসেছে।
পাকিস্তান আমলে তো মির্জা ফখরুল সাহেববা সুবিধাভোগী ছিলেন। মির্জা ফখরুল সাহেবের পিতা চখা মিয় ’৭১ সালে কুখ্যাত রাজাকার ছিলেন।
পঁচাত্তর সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর পাকিস্তান গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় বিএনপি গঠিত হয়।পাকিস্তানের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্যই দলটি গঠিত হয়েছিল। এজন্যই পাকিস্তান প্রেম বিএনপির একদম প্রকাশে, লুকানোর কোনো বিষয় নয়।
আমরা তো দেখেছি জিয়া ক্ষমতায় গিয়ে বাংলাদেশকে মিনি পাকিস্তান বানানোর প্রক্রিয়া শুরু করে।
দেখা গেলো, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে দুটি ফুলের তোড়া পাঠিয়েছেন পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী, উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় গুলশানে চেয়ারপারসনের অফিসে ঢাকাস্থ পাকিস্তান দূতাবাসের কর্মকর্তা ফুলের তোড়া পৌঁছে দেন। আনুষ্ঠানিকভাবে ফুল গ্রহণ করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি।
