ঢাকা: বাংলাদেশের পরিস্থিতি খুব করুণ‌। ইউনুস চেয়ারে বসেছেন আর দেশের অধঃপতন শুরু হয়েছে।

মানুষ না খেতে পেয়ে পথে বসবে, মন্বন্তরের মতো মারা যাবে এমন অবস্থা হয়েছে, আর ইউনূস বিদেশে গিয়ে বলছেন ১৬ কোটি মানুষকে তিনি খাওয়ান।

আর দারিদ্র্যের হার কিছু বছর আগে থেকেই বাড়ছে দেশে।

বিশ্বব্যাংক বলছে, দেশে চার বছর ধরে দারিদ্র্যের হার বাড়ছে। সংস্থাটির অনুমিত হিসাব, ২০২৫ সালে দারিদ্র্যের হার হতে পারে ২১ শতাংশের কিছু বেশি। দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৬০ লাখে।

গত মঙ্গলবার রাজধানীর এক হোটেলে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয় এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে বিশ্বব্যাংক ও বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই)।

বাংলাদেশে দারিদ্র্য কমানোর যে সাফল্য এক দশকে অর্জিত হয়েছিল, ড. ইউনুসের দুর্নীতিগ্রস্ত শাসনে তা আবার ভেঙে পড়ার মুখে।

বিশ্বব্যাংক বলছে—৬ কোটি ২০ লাখ মানুষ মাত্র একবার অসুস্থ হলে বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে পড়লে আবার দারিদ্র্যসীমায় নেমে যাওয়ার ঝুঁকিতে।

একসময় কৃষির জোরে গ্রামাঞ্চলে দারিদ্র্য কমেছিল, কোটি মানুষ উঠে এসেছিল দারিদ্র্য থেকে। বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত ‘বাংলাদেশের দারিদ্র্য ও বৈষম্য মূল্যায়ন ২০২৫’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ২০১০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত চরম দারিদ্র্য ১২ দশমিক ২ শতাংশ থেকে কমে পাঁচ দশমিক ছয় শতাংশ এবং মাঝারি দারিদ্র্য ৩৭ দশমিক এক শতাংশ থেকে কমে ১৮ দশমিক সাত শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

কিন্তু ২০২৫ সালে ২০ লক্ষ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমেছে, ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল ৩০ লক্ষ। অর্থাৎ, ইউনুসের দেড়বছরে দেশে ৫০ লক্ষের বেশি মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়েছেন।

অর্থনীতি তলানিতে, কল কারখানা বন্ধ, শ্রমিকরা বেতনের জন্য হাহাকার করছে, শিক্ষকরা আন্দোলনে রাস্তায়, শিক্ষাখাত ধ্বংস। আর কী বাকি আছে দেশটার মধ্যে যা হয়নি?

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *