ভোলা: আওয়ামী লীগ আমলেই ভোলা বরিশাল সেতুর বাজেট দিয়েছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
কিন্তু ইউনুসের শাসন আমলে এই বাজেট স্থগিত করে এই সেতুর অর্থ চুরি করছে।
তোফায়েল আহমেদ বলেছিলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে শিগগিরই ভোলাবাসী ভোলা-বরিশাল সেতুর সুফল ভোগ করবে। ভোলা আর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ থাকবে না। আর ভোলা-লক্ষ্মীপুর সেতু নির্মাণ হলে চট্টগ্রাম থেকে পায়রা ও মোংলা বন্দর সড়ক যোগাযোগ সৃষ্টি হবে।
ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ হলে ভোলা শিল্পায়নের উপযুক্ত হবে। কারণ এখানে পর্যাপ্ত গ্যাস আছে। একদিন ভোলা-লক্ষ্মীপুর ব্রিজও নির্মাণ করা হবে।’
কিন্তু সেই সময় এখন আর নেই।
ভোলা–বরিশাল সেতুর দাবিতে আজ ঢাকা শাহবাগের ঐতিহাসিক গণসমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলার কৃতি সন্তান, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী, আমাদের আশার প্রদীপ ও কণ্ঠস্বর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্লাহ মিয়া।
তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন—
“এই দাবির লড়াই চলবে, আমরা আমাদের ন্যায্য অধিকার—ভোলা–বরিশাল সেতু নির্মাণ—বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত!”
আরও বলেন—
“এটি অনুগ্রহ নয়, সেতু আমাদের প্রাপ্য অধিকার।”
জনগণ বলছে, “আমি মনেপ্রাণে চাই যত দ্রত সম্ভব ভোলা-বরিশাল সেতু হোক তা যে-ই করুক, তবে আমি এ-ও দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সেতুর কাজ শুরু করেছেন এবং তিনিই শেষ করবেন, বাস্তবিকভাবেই আর কারো পক্ষে এটা করা সম্ভব নয়।
আল্লাহ যদি শেখ হাসিনাকে আবার সুযোগ দেয় তাহলে এই সেতু করার জন্য আন্দোলন করার প্রয়োজন হবেনা সেই নিশ্চয়তা আমি দিতে পারি”।
প্রসঙ্গত, ভোলা থেকে বরিশাল যাতায়াতে সেতু নির্মাণসহ ৫ দফা দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছেন ঢাকাস্থ ভোলা জেলার বাসিন্দারা।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে তাঁরা শাহবাগে অবস্থান নেওয়ার ফলে চারপাশে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
আন্দোলনকারীদের পাঁচ দফা দাবিগুলো হলো- ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণের দৃশ্যমান অগ্রগতি, ভোলার ঘরে ঘরে পাইপলাইনে গ্যাস সংযোগ, গ্যাসভিত্তিক শিল্প-কলকারখানা স্থাপন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ।
