ঢাকা: যারা স্বাধীন দেশ চায়নি, স্বাধীন দেশের মর্যাদা জানে না তাদের কাছে পতাকার কী মূল্য থাকবে?
রাজধানীতে আয়োজিত জামায়াতে ইসলামের একটি রাজনৈতিক কর্মসূচির মঞ্চসজ্জা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
শুধু বিতর্ক না, জামায়াত যে নিকৃষ্ট দেশদ্রোহী তা কর্মেই প্রকাশ।
কর্মসূচির ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে দেখা যায়, মঞ্চে ওঠার সিঁড়ি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার আদলে লাল-সবুজ রঙে তৈরি করা হয়েছে এবং মঞ্চের উপরের অংশজুড়ে ব্যবহার করা হয়েছে পাকিস্তানের পতাকার মতোই সবুজ রঙের ব্যাকড্রপ ও ভিজ্যুয়াল ডিজাইন।
জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা-১৭ আসনের উদ্যোগে শুক্রবার ভাষানটেক এলাকায় আয়োজিত যুব-ছাত্র ও নাগরিক সমাবেশকে ঘিরে ব্যবহৃত মঞ্চের লাল-সবুজ রং নিয়েই তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
জামায়াতের সমাবেশের লাল-সবুজের সিঁড়ি ও কার্পেটের ছবি প্রকাশ্যে আসার পর এটিকে স্বাধীনতার রক্তে রঞ্জিত লাল-সবুজ পতাকা অবমাননা হিসেবে দেখছেন।
তাদের অভিযোগ, এমন ডিজাইন শহীদদের ত্যাগ এবং দেশের মর্যাদাকে খাটো করার প্রচেষ্টা।
সমালোচকদের দাবি, দেশের পতাকা জাতীয় অহংকার, স্বাধীনতার প্রতীক। স্বাধীনতা সংগ্রামে হাজারো মানুষের জীবন ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত এই পতাকাকে পদদলিত করা যায় না। তাই এমন অভব্য ডিজাইন দেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতিকে হেয় করার সামিল।
অনেকে মনে করছেন, এটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জাতীয় প্রতীককে হেয় করার চেষ্টা। লাল-সবুজের সিঁড়ি এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যা স্বাধীনতার ইতিহাস এবং শহীদদের আত্মত্যাগকে হীন করছে।
উল্লেখ করতে হয়, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সংক্রান্ত বিধিমালা অনুযায়ী, জাতীয় পতাকা বা তার রঙ এমনভাবে ব্যবহার করা যাবে না, যাতে তা অসম্মানিত হয়।
