ঢাকা: বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন।
গতকাল গভীর রাতে তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে, বিএনপি সূত্রে এমনটাই খবর।
মায়ের এমন অবস্থায় তাঁর পুত্র তারেক জিয়া দ্রুত দেশে ফিরে আসতে পারেন বলে দলীয় সূত্রের খবর।
তারেক ২০০৮ থেকে লন্ডনে রাজনৈতিক আশ্রয় রয়েছেন। মুচলেকা দিয়ে দেশ ছেড়েছেন তিনি।
তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী অশীতি পর খালেদার শারীরিক অবস্থা নিয়ে গোটা দেশে উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে।
এভার কেয়ারে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সকাল সকাল দেখা গেলো বহু পুলিশ বাহিনী চত্বরে। তবে এত পুলিশ কিসের কারণে সে নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) তারেক রহমান তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে বলেন,
‘বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ ও সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন। তাঁর রোগমুক্তির জন্য দল মত নির্বিশেষে দেশের সকল স্তরের নাগরিক আন্তরিকভাবে দোয়া অব্যহত রেখেছেন।
মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা তাঁর রোগমুক্তির জন্য দোয়ার সাথে সাথে চিকিৎসার সর্বত সহায়তার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।
দেশ বিদেশের চিকিৎসক দল বরাবরের মত তাঁদের উচ্চ মানের পেশাদারিত্ব ছাড়াও সর্বোচ্চ আন্তরিকত সেবা প্রদান অব্যহত রেখেছেন।
বন্ধু প্রতীম একাধিক রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও উন্নত চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য সকল প্রকার সহযোগিতার আকাঙ্খা ব্যক্ত করা হয়েছে।
সর্বজন শ্রদ্ধেয়া বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সকলের আন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা প্রদর্শন করায় জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।
একই সাথে বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তির জন্য সকলের প্রতি দোয়া অব্যহত রাখার জন্য ঐকান্তিক অনুরোধ জানাচ্ছি।
এমন সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহ স্পর্শ পাবার তীব্র আকাঙ্খা যে কোন সন্তানের মত আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সকলের মত এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।
স্পর্শকাতর এই বিষয়টি বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত। রাজনৈতিক বাস্তবতার এই পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে উপনীত হওয়া মাত্রই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে আমার সুদীর্ঘ উদ্বিগ্ন প্রতিক্ষার অবসান ঘটবে বলেই আমাদের পরিবার আশাবাদী।’
