গোপালগঞ্জ: এই তো নতুন বাংলাদেশ! ইউনূসের নতুন বাংলাদেশ। নতুন সংস্কার। শেখ হাসিনার সময় তো সব খারাপ ছিলো, এখন সব ভালোয় ভালো।
গোপালগঞ্জে নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার ২১ দিন পর একটি কবরস্থান থেকে মাটি চাপা অবস্থায় মোবাইল ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানের (৪৮) গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এই ঘটনায় মামলার মূল আসামি জাহিদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
কী অদ্ভুত হয়েছে দেশের পরিস্থিতি। কোনো একজন মানুষের নিরাপত্তা নেই। কখন যে কার খুন হয়ে যায়, কিচ্ছু বলা যায় না।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার খাগাইল গ্রামের স্থানীয় কবরস্থান থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মোবাইল ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান গোপালগঞ্জ শহরতলীর ঘোষেরচর এলাকার হারেজ মোল্যার ছেলে।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম জানিয়েছেন, গত ৮ নভেম্বর রাতে ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানকে পাওনা টাকা দেয়ার কথা বলে ফোন করে ডেকে নিয়ে যায় তাঁর ব্যবসায়িক পার্টনার জাহিদ।
এরপর থেকেই তাঁর আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। কোথায় টাকা, কোথায় মানুষ?
দুদিন পর ১০ নভেম্বর নিখোঁজ মিজানুর রহমানের স্ত্রী জামিলা ইসলাম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন।
পরে অবশেষে শনিবার সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার খাগাইল গ্রামের স্থানীয় কবরস্থান থেকে মাটি চাপা অবস্থায় ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানের গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের সদস্যরা মরদেহ শনাক্ত করে।
তবে বিষয়টা পরিষ্কার করে জানানো হয়নি যে কিসের কারণে এই হত্যা! হয়তো পুলিশ ধামাচাপা দেবে এটাও। দুইদিনের জন্য আসামিকে ধরেছে।
ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
