চট্টগ্রাম: আজ ১ ডিসেম্বর। মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের মাস ডিসেম্বরের শুরু। নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের চূড়ান্তে এসে একাত্তরের ডিসেম্বরেই অর্জিত হয় বাঙালি জাতির কাঙ্খিত বিজয়।
এ মাসের প্রথম দিন থেকে মুক্তিযোদ্ধারা একের পর এক বিভিন্ন জেলায় পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীকে পরাজিত করা শুরু করেন।
যে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে লাখ লাখ মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চ ইতিহাস সৃষ্টিকরা ভাষণে ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ বলে স্বাধীনতার ডাক দেন, সেই উদ্যানেই ১৬ ডিসেম্বর পরাজয়ের দলিলে স্বাক্ষর করেন পাকিস্তানের জেনারেল নিয়াজি। বিশ্বদরবারে লাল-সবুজে ফুটে উঠে ‘বাংলাদেশ’ নাম।
তবে দেশ এখন গিলে খাচ্ছে রাজাকারের সন্তান রাজাকাররা। স্বাধীন দেশে দাঁড়িয়ে তারা পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান দেয়।
পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান হচ্ছে বাংলাদেশের ক্বেরাত সম্মেলনে! এইটাই ইউনূসের আসল সংস্কার!
চট্টগ্রামের সাউথ সন্দ্বীপ হাই স্কুল মাঠে ক্বেরাত সম্মেলনে “পাকিস্তান জিন্দাবাদ” স্লোগান, এটাই নতুন বাংলাদেশ। বাংলাদেশের সংস্কার চলছে।
এইবার খুশী লাল বদররা। এই বাংলাদেশ দেখবার জন্যইতো সেই দিন প্রোফাইলটা লাল করে শেখ হাসিনা হঠাও আন্দোলনে নেমেছিলেন।
চট্টগ্রামের সাউথ সন্দ্বীপ হাই স্কুল মাঠের ক্বেরাত সম্মেলনের কাণ্ডে মর্মাহত ৭১ পক্ষের জনগণ । স্বাধীন বাংলায় শ্লোগান পাকিস্তান জিন্দাবাদ।
শেখ হাসিনা নাই, এসব দেখার কেউ নাই! শেখ হাসিনা নাই, স্বাধীন বাংলাদেশটাই আর নাই।
স্বাধীন বাংলাদেশের বুকে পাকিস্তান জিন্দাবাদ শ্লোগান শুনতে হচ্ছে এটা বাংলাদেশের জন্য শুধু লজ্জা না ঘৃণা।
মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের মাস ডিসেম্বেরের শুরুতে সাউথ সন্দ্বীপ কলেজ মাঠে পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান সন্দ্বীপ বাসী ও বাঙালি জাতির জন্য লজ্জা জনক।
৩০ লক্ষ শহীদ ও ২ লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা কলঙ্কিত হলো। রাজাকার, পাকিস্তানিরা সন্দ্বীপকে কলঙ্কিত করলো।
মানুষের কাছ থেকে খয়রাতি টাকা নিয়ে ধর্ম প্রচারের নামে এরা সর্বত্র ভণ্ডামি করে যাচ্ছে। সন্দ্বীপে কি মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশপ্রেমী দল আছে?
