ঢাকা: মব সন্ত্রাস, আগুন সন্ত্রাস, খুন, অপকর্মে ছেয়ে গেছে বাংলাদেশ। ৫ আগস্টের পর থেকে এই বাংলা দখল নিয়েছে জঙ্গী।

দেশে এখন আইনের শাসন বলে কিছু নেই। আদালত চত্বরে খুন হয়ে যাচ্ছে মানুষ, তাহলে নিরাপত্তা আর কোথায়?

দেশে আছে জঙ্গলের শাসন। গত দশ মাসে মব সন্ত্রাসে ১৪০ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

যে ইউনুস সরকার বিদেশি অর্থায়ন, ইসলামি জঙ্গি সংগঠনের সহায়তা এবং সামরিক বাহিনীর পৃষ্ঠপোষকতায় নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতায় এসেছে, তাদের শাসনে এমন নৈরাজ্য হওয়াটাই স্বাভাবিক।

দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়েছে। মানুষ এখন নিজেই বিচারক, নিজেই জল্লাদ।

কোনো অভিযোগ উঠলেই ভিড় জড়ো হয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হচ্ছে মানুষকে। কোনো বিচার নেই। এমনকি পুলিশ দেখেও দেখে না। মবের হাতে ছেড়ে দেয়, তারপর আসে লাশ উদ্ধার করতে। কী অদ্ভুত সময় আমরা পার করছি।

চোর সন্দেহ, ডাকাত সন্দেহ, ছিনতাইকারী সন্দেহ, ছেলেধরা সন্দেহ, আওয়ামী লীগ সমর্থক সন্দেহ, ধর্ম অবমাননার অভিযোগ এসব নানান অজুহাতে চলছে হত্যাযজ্ঞ।

যাকে ইচ্ছা তাকে হত্যা করো। কোনো বাধা নেই। পরিস্থিতি এমন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে গোপালগঞ্জের প্রত্যন্ত গ্রাম, সর্বত্র একই চিত্র।

হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত মাত্র দশ মাসে ২৫৬টি মব সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এতে ১৪০ জন নিহত এবং ২৩১ জন আহত হয়েছে। এই সংখ্যা আগের দুই বছরের তুলনায় অনেক বেশি।

২০২৩ সালে এ ধরনের ঘটনায় মারা গিয়েছিল ৫১ জন, ২০২৪ সালে ১২৮ জন। কিন্তু ২০২৫ সালে মাত্র দশ মাসেই সেই সংখ্যা ১৪০ ছাড়িয়ে গেছে এবং নভেম্বর-ডিসেম্বরের হিসাব এখনো বাকি।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *