ঢাকা: অপমান ভুলে ক্ষমা করা ভালো। তাই বলে ৭১ এ পাকিস্তানের অপমান? শুধু কী অপমান? চরম ধর্ষক, খুনী, জঙ্গীর সাথে আজ হাত মিলিয়েছে বাংলাদেশ।

এতেই প্রমাণ হয় বাংলাদেশি পাকিস্তানি ভাই ভাই। দুই দেশের শিক্ষার্থীদের ভিসা দেওয়া বন্ধ, সে-কারণে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করাও বন্ধ।

আর ভিসা দিয়েও কী কোনো লাভ আছে? ওই-দেশে ঢুকেই তো পড়াশোনা বাদ দিয়ে শরিয়া আইন দাবি করবে।

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ঝুঁকির খবর। যুক্তরাজ্যের অভিবাসন নীতি আরও কঠোর হওয়ার পর বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে আসা শিক্ষার্থীদের ভিসা–সংক্রান্ত ঝুঁকি বেড়ে গেছে।

এর ফলে দেশটির বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয় দুই দেশের শিক্ষার্থীদের ভর্তির আবেদন বাতিল করছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক গণমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রায় ৯টি বিশ্ববিদ্যালয় ‘উচ্চ ঝুঁকির’ দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানকে তালিকাভুক্ত করে ভর্তিতে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আশ্রয় প্রার্থনার সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর ভর্তিচক্র আরও কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয় আবেদন স্থগিত করেছে

ইউনিভার্সিটি অব চেস্টার: ২০২৫ সালের অটাম সেশন পর্যন্ত পাকিস্তানি শিক্ষার্থীদের সব ধরনের আবেদন স্থগিত।

ইউনিভার্সিটি অব উলভারহ্যাম্পটন: বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে স্নাতকের শিক্ষার্থীদের আবেদন গ্রহণ করছে না।

ইউনিভার্সিটি অব ইস্ট লন্ডন: পাকিস্তান থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি স্থগিত।

লন্ডন মেট্রোপলিটন, সান্ডারল্যান্ড, অক্সফোর্ড ব্রুকস, বিপিপিসহ আরও কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়: বাংলাদেশ ও পাকিস্তানি শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সিএএস লেটার দিচ্ছে না বা আবেদন গ্রহণ বন্ধ করেছে।

সান্ডারল্যান্ড ও কভেন্ট্রি বিশ্ববিদ্যালয়:

বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে আবেদন স্থগিত।

হার্টফোর্ডশায়ার বিশ্ববিদ্যালয়: বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের শিক্ষার্থী ভর্তির আবেদন ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বন্ধ।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *