ঢাকা: ৫ আগস্ট ২০২৪ থেকে ভারতেই অবস্থান করছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বাংলাদেশে ইতিমধ্যেই তাঁকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনানো হয়েছে। এই আবহে ঢাকা হাসিনাকে ফেরত চেয়ে চিঠি দিয়েছে দিল্লিকে। তবে হাসিনাকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়ার ব্যাপারে ভারত সেভাবে মুখ খোলেনি।
তাহলে শেখ হাসিনা কি যতদিন ইচ্ছে, ততদিন ভারতে থাকতে পারেন? আজ হিন্দুস্তান টাইমস লিডারশিপ সামিটে এই প্রশ্ন করা হয়েছিল বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে। সেই প্রশ্নের তাৎপর্যপূর্ণ জবাবও দিলেন জয়শঙ্কর।
হাসিনাকে নিয়ে ভারতের বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, ‘শেখ হাসিনা এখানে একটা নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে (জুলাই আন্দোলন) এসেছিলেন। আমার মনে হয়, তাঁর সাথে যা ঘটেছে তার পেছনেও সেই পরিস্থিতিই রয়েছে। কিন্তু আবারও বলছি, এটা এমন একটা বিষয় যেখানে তাঁকে মনস্থির করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’
বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, ‘বাংলাদেশে এখন যাঁরা ক্ষমতায় আছেন, তাঁদের থেকে আমরা শুনেছি যে আগে যেমন ভাবে নির্বাচন হত, তা নিয়ে তাঁরা অসন্তুষ্ট। তাহলে সেটাই যদি হয়, তাহলে সর্বপ্রথম তাঁদের স্বচ্ছ নির্বাচন করতে হবে।’
ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক প্রসঙ্গে বিদেশমন্ত্রী বলেন, ‘ভারত সবসময়ই বাংলাদেশের মঙ্গল কানা করে। গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে আমরা মনে করি, অন্যান্য গণতন্ত্রে মানুষ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নিজেদের ইচ্ছে প্রকাশ করতে পারে। এবং আমি নিশ্চিত, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় যে ফলাফল সামনে আসবে, তার পরে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের প্রতি ভারসাম্যের দৃষ্টিভঙ্গি থাকবে বাংলাদেশের এবং পরিস্থিতির উন্নতি হবে।’
