ঢাকা: ভারত ও বাংলাদেশের জন্য ৬ ডিসেম্বর দিনটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৭১ সালের এই দিনেই ভারত সরকার প্রথম বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল।

ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী সংসদে সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। বলা হয় ওই দিনই বাংলাদেশের বিজয়ের সূচনা হয়ে গিয়েছিল।

শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এই দিনটি মৈত্রী দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

উল্লেখযোগ্য যে, ২০২১-এ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঢাকা গিয়েছিলেন। সেই সময় দুই প্রধানমন্ত্রীর যৌথ বিবৃতিতে ঘোষণা করা হয় যে ৬ ডিসেম্বর মৈত্রী দিবস হিসেবে পালন করবে দুই দেশ। ‌

তবে এইসব এখন ভুলেছে অন্তর্বর্তী সরকার। ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে দিনরাত কাটছে এখন।

এই দিনটিতে পারস্পরিক সম্মান ও বোঝাপড়ার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এগিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা।

শনিবার (৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর গুলশানে ইন্ডিয়ান কালচার সেন্টারে ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী দিবস ২০২৫ পালন উদযাপন অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিজয় দিবসের ১০ দিন আগে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়ে কাঁধে কাঁধ রেখে পাশে দাড়িয়ে ছিল ভারত। ঐতিহাসিক এই সম্পর্ক এগিয়েছে বহুদূর।

প্রণয় ভার্মা মনে করেন আমরা কেউ একাকী সমৃদ্ধি আনতে পারবো না। তাই পারস্পরিক সম্মান ও বোঝাপড়ার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। ভারত চায় দুই দেশের জনগণের সম্পর্ক আরও গভীর হোক।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *