তারাগঞ্জ: বিজয়ের মাসে খুন হয়ে গেলেন মুক্তিযোদ্ধা দম্পতি। তারাগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা দম্পতিকে নিজের বাড়িতে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের দিন যত গড়াতে থাকে ততই স্পষ্ট হয়ে উঠতে থাকে, বাঙালির বীরত্বের কাছে আজ হোক কাল হোক পাকিস্তানি দখলদারদের পরাজয় স্বীকার করতেই হবে।

পাকিস্তানি বাহিনী ছিল আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত। কিন্তু বাংলার সাধারণ কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র, জনতার ছিল মাতৃভূমিকে রক্ষার দৃঢ়প্রতিজ্ঞা।

তবে আজ দেশের করুণ অবস্থা। দেশ আবার পাকিস্তানের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। ষড়যন্ত্র করে মেরে ফেলা হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধাদের।

শনিবার (৬ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার কুশা ইউনিয়নের রহিমাপুর চাকলা গ্রামে খুনের ঘটনাটি ঘটে।

রাজাকাররা হত্যা করেছে। সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোনাববর হোসেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও স্থানীয় রহিমাপুর বীর মুক্তিযোদ্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক যোগেশ চন্দ্র রায় ও তার স্ত্রী সুবনা রায় রহিমাপুর চাকলা গ্রামে বসবাস করেন।

ওই দম্পতির বড় ছেলে সুবেন চন্দ্র রায় পুলিশের এএসআই হিসাবে জয়পুরহাটে ও ছোট ছেলে রাজেশ খান্না রায় ঢাকায় পুলিশে কর্মরত।

মুক্তিযোদ্ধা দম্পতির বাড়ির কাজের লোক দিপক রায় জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে তাদের বাড়িতে কাজ করছেন।

প্রতিদিনের মত রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকালে বাড়ির গেটের সামনে এসে ডাকাডাকি করেন তিনি। কিন্তু কোনো আওয়াজ না পেয়ে গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দাসহ মই দিয়ে বাড়ির ভেতরে ঢুকে তাদের গলাকাটা লাশ দেখতে পান।

তবে এই ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তারের খবর এখনো পাওয়া যায়নি।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *