ঢাকা: বাংলাদেশের আইন শৃঙ্খলা জিম্মি হয়ে গেছে। জিম্মি করে নিয়েছে জঙ্গী গোষ্ঠী আর উপদেষ্টা মণ্ডলী।
প্রতিদিন দেশে খুন হচ্ছে। অথচ এর কোনো দায় নেই স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার।
রাজনীতিতে সহিংসতা, ভয়ভীতি ও দমন-পীড়ন নতুন নয়; কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে যে ঘটনাগুলো দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যাচ্ছে, তা উদ্বেগকে নতুন মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছে।
নাহ, কোনো সাড়া নেই সরকারের।
স্থানীয় ভোটারদের বহু অভিযোগ—জামায়াত ইসলামের একাধিক প্রার্থী ও তাদের সক্রিয় সমর্থকরা প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে ভোট চাইছে।
অভিযোগকারীরা জানাচ্ছেন,
“জামায়াতকে ভোট না দিলে পিঠের চামড়া থাকবে না।”
সন্ত্রাস চলছে দেশে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা যা বলছেন তা সীমা লঙ্ঘন করছে।
দেশে হত্যাকাণ্ড বন্ধের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেছেন, আমার কাছে কোনো যদি ম্যাজিক থাকত, সুইচ অন অফের মতো, যদি থাকত তাহলে আমি অফ করে দিতাম, কিলিং-টিলিং বন্ধে আমার কাছে এমন কোনো ম্যাজিক নাই।
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচনের প্রস্তুতি মাশাল্লাহ্ খুবই ভালো। সব বাহিনী তাদের প্রশিক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে। আশা করছি, জানুয়ারির ভেতরে প্রশিক্ষণ সমাপ্ত হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সুষ্ঠু, ক্রেডিবল ও উৎসবমুখর নির্বাচনের জন্য যত ধরনের প্রস্তুতি দরকার সব কিছু নিচ্ছি। আর সব প্রস্তুতির জন্য একটি প্রশিক্ষণের দরকার পড়ে। প্রশিক্ষণ হলো সবকিছুর মূল।’
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচনের জন্য বডি অন ক্যামেরা কেনা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রতিটি কেন্দ্রে বিদ্যুতের ব্যবস্থা থাকতে বলেছি। যেহেতু এবার ভোটাগ্রহণ সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। এ ছাড়া ভোট গণনার সময় সন্ধ্যা হয়ে যায়। এ জন্য যে এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকে সেখানে বিকল্প ব্যবস্থায় ইলেকট্রিসিটির ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।’
