ঢাকা: এই অন্তর্বর্তী সরকার তো দেখা যাচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র ছাড়া কোনো কথা বলে না।

অবৈধ অস্ত্র, এসএসএফের খোয়ানো এবং থানা লুট করা অস্ত্রে প্রতিষ্ঠিত করেছে মব কালচার।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দেশকে মগের মুল্লুক বানিয়ে রেখেছেন।

এখন নাকি জাতীয় নির্বাচনের প্রার্থীদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র দেয়া হবে!

প্রশ্ন হচ্ছে, তাঁরা কি আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভোট দখলে রাখবেন? কোন কারণে তাঁদের হাতে অস্ত্র চাই?

কী বলেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা?

আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স এতদিন শুধু সামরিক ও বেসামরিক কর্মচারীদের অনুকূলে ইস্যু করা হতো। এখন জাতীয় নির্বাচনের প্রার্থীদের মধ্যে যারা আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স চাইবেন, তাদেরও লাইসেন্স ইস্যু করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এই কথা জানান।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জাতীয় নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিতকরণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও ফ্যাসিস্ট টেরোরিস্টদের দমনের উদ্দেশে অবিলম্বে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-২’ চালু করা হবে।

উপদেষ্টা জনগণকে আর কত বোকা বানাবেন?

একদিকে ডেভিল হান্ট। আরেকদিকে চলছে লুটপাটের মহোৎসব।

ডাকাত, খুনী বাঁচাতে অবৈধ সরকার প্রহসনের আশ্রয় নিলো। ডেভিল হান্টের নামে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ধরা হচ্ছে অথচ ডেভিলরা নিরাপদে অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে।

৫ আগস্টের সব অপরাধীদের ছেড়ে দেয়া হল। বাংলাদেশ এখন ধর্ষক, চাঁদাবাজ, ডাকাত, ছিনতাইকারীদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল।

কয়টা আসল ডেভিল ধরেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা?

তিনি বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখ সারির যোদ্ধাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর। সরকারের পক্ষ থেকে তাদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এজন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। কমিটি সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে জুলাই যোদ্ধাদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *