ঢাকা: একটা লাশের প্রয়োজন হয়েছে ঠিক আবু সাঈদের মতো।
একটা সুযোগে হুঙ্কার দেয়া শুরু করে দিয়েছে শিবির।
ওসমান হাদির কিছু হলে নির্বাচন হবেনা— ঢাবির সূর্যসেন হলের শিবির মনোনীত ভিপির হুঁশিয়ারি শোনা গেলো।
আসলে হাদির গুলিবিদ্ধ হাওয়ার ঘটনা রাজাকার জামাত এবং ইউনুস গংদের ম্যাটিকুলাস প্ল্যানের অংশ।
জুলাই সন্ত্রাসীরা এই দেশে সহিংসতার যে নজির সৃষ্টি করেছে, সবাইকে এর কুফল ভোগ করতে হবে অনেক যুগ।
ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাটি নিয়ে এখন ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করা হচ্ছে ।
ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে নানা ব্যাখ্যা ঘুরে বেড়াচ্ছে। এ ধরনের ঘটনায় সাধারণত একটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে আসে—কে এই ঘটনায় লাভবান হতে পারে, আর কে ক্ষতিগ্রস্ত?
তাছাড়া গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, রাজনীতিতে আপাত দৃষ্টি বলে কোনো কথা নেই।
কিছু বিশ্লেষকের মতে:
হাদি যেহেতু জামায়াতের রাজনৈতিক প্রভাবক্ষেত্র থেকে উঠে আসা এক ধরনের ‘বাইপ্রোডাক্ট’, এবং বিএনপি-বিরোধী মনোভাব দুই পক্ষের মধ্যেই বিদ্যমান, তাই ঘটনাটি জামায়াত রাজনৈতিকভাবে কাজে লাগাতে পারে।
নির্বাচনের আগে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখছে না বিএনপি। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, এটি বৃহৎ এক চক্রান্তের ক্ষুদ্র অংশ।
