ঢাকা: হাদি রাজনীতি শুরু হয়েছে। এতদিন চলেছে খালেদা জিয়াকে নিয়ে রাজনীতি। সেটায় সামান্য বিরতি পড়েছে। এবার শুরু করা হয়েছে হাদি প্রসঙ্গ।
হাদিকে নিয়ে জামায়াত-শিবিরের লোকজন যে নোংরা রাজনৈতিক খেলায় মেতে উঠেছে তা দেশবাসীর কাছে ভালোই পরিষ্কার।
বাংলাদেশকে একটি অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ধাবিত করা হচ্ছে।
ড. ইউনুস, তাঁর পারিষদগণসহ বিএনপি- জামায়াত- এনসিপিসহ সবাই এখন অভিযোগ করছে, নির্বাচনকে বানচাল করতে হাদী’র ওপর হামলা করা হয়েছে।
সবাই এখন ধোয়া তুলসি পাতা। একে অপরকে দোষারোপের প্রতিযোগিতা এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে।
তবে ভিতরে ভিতরে কাজ হাসিলের ধান্দায় এরা লেগে আছে।
নির্বাচন বন্ধ করার পাঁয়তারা শুরু করেছে।
নির্বাচন যদি না হয় তাহলে ফায়দা লুটবে ইউনুস নেতৃত্বাধীন ইন্টেরিম ও জামায়াতে ইসলামী।
কারণ জামায়াতে ইসলামী প্রশাসনের বিভিন্ন জায়গা শুধু দখল করেনি, তারাই নিয়ন্ত্রণ করছে অত্যন্ত কৌশলে। সরকারের ভিতর সরকার চালাচ্ছে তারা।
সব নাটক মঞ্চস্থ চলছে।
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনার পর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
সবটাই লোকদেখানো। ভারতকে দোষারোপ করার অপচেষ্টা।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান ও ৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম কিবরিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনার পরপরই ৫৩ বিজিবির আওতাধীন সীমান্ত এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
নিয়মিত টহলের টিমের বাইরে অতিরিক্ত ১৯টি টহল টিম ও অতিরিক্ত দুইটি চেকপোস্ট কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে।
এছাড়া গোয়েন্দা নজরদারির পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
