ঢাকা: সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
মামলাটি হয়েছে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায়। এই মামলায় আনিস আলমগীরসহ আসামি পাঁচজন। তাঁদের মধ্যে আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এই তো ইউনূসের শাসন ব্যবস্থা! দারুণ, চমৎকার!
সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে সাদা পোশাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার একদিন পরে, সন্ত্রাস বিরোধী আইনে উত্তরা পশ্চিম থানার একটি মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়েছে অবৈধ ইউনুস প্রশাসন।
মি. আলমগীরের অপরাধ তিনি বিভিন্ন টক শো এবং তাঁর লেখালেখিতে অপশাসনের বিরুদ্ধে কথা বলতেন, অন্যায়ের প্রতিবাদ করতেন।
টকশোতে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার পক্ষে কথা বলার কারণে একজন সাংবাদিককে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। মূলত, পরিকল্পিতভাবেই তাঁকে এই জামাত-শিবিরের সাজানো মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে।
বাংলাদেশে বাক্ স্বাধীনতার সর্বোচ্চ মাত্রায় কন্ট্রোল করে যাচ্ছে এই ইন্টেরিম সরকার।
আওয়ামী লীগের ১৫ বছরে টকশোতে কথা বলার জন্য একজন সাংবাদিক গ্রেপ্তার হয়েছেন অথবা একজন সুশীল সমাজের লোক গ্রেপ্তার হয়েছেন এমন এক-দুটো উদাহরণ কেউ দিতে পারবেন না।
দেখা গেছে, আসিফ নজরুল বাংলাদেশে ২৬ লক্ষ ভারতীয়ের চাকরি করার মিথ্যা বক্তব্য রেখেও কখনো ডিবি অফিসে যেতে হয়নি। অথচ একজন সাংবাদিককে?
বর্তমানে অলিখিত আইন হয়ে গেছে, সরকারের সমালোচনা করা যাবে না, মুক্তিযুদ্ধের কথা বলা যাবে না। যতই মুখে মুখে মহাজন বলুন না কেন, “আপনারা মন খুলে সমালোচনা করুন।”
সমালোচনা করে কী অবস্থা হয় তার জলজ্যান্ত উদাহরণ সাংবাদিক মনজুরুল আলম পান্না, সাবেক সচিব আবু আলম শহীদ খান, আনিস আলমগীর প্রমুখ।
একটি দেশ এভাবেই খুব দ্রুত অন্ধকারের দিকে চলে যাচ্ছে। পুরো দেশ জিম্মি হয়েছে।
