ঢাকা: উছিলা চাই, উছিলা বের করা হয়েছে। একটা লাশ দরকার ছিলো, হাদি সেই লাশ।
যেই জানানো হলো হাদি নেই অমনি ঝাঁপিয়ে পড়লো সন্ত্রাসীর দল।
হাদির মৃত্যুর সাথে ধানমন্ডি ৩২-এর কোনো সম্পর্ক আছে? নেই! তাহলে কেন আক্রমণ? কেন আবার আগুন? কারণ উদ্দেশ্য এটাই ছিলো। ঘোষণা বাকি ছিলো।
ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করা হয়েছে।
রাজাকার শিবির, জামায়াতের টার্গেট এই ৩২!
বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত আনুমানিক ১২টা ৪০ মিনিটে আগুন দেয়া হয়।
বিক্ষোভকারীরা ‘আওয়ামী লীগের আস্তানা ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’, ‘হাদির রক্ত বৃথা যেতে দেবো না’, ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাজাকারগুলো ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বাড়ির আশপাশের কয়েকটি স্থানে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে। এ সময় কয়েকজনকে বাড়িটিকে হাতুড়ি দিয়ে ভাঙচুর করে ।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এই ঐতিহাসিক ভবনকে ধূলিস্যাৎ করে দেওয়া হলো।
ইউনূস ক্ষমতা দখল করার পর যে কটি বিষয়ের উপর নজর দিয়েছেন তার অন্যতম হল মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের দল আওয়ামী লিগকে মুছে দেওয়া।
তিনি ক্ষমতা দখল করার পরপরই তাঁর বাহিনী একাত্তরের সব স্মারক ধ্বংস করেছে। ‘জয় বাংলা’ স্লোগান নিষিদ্ধ করেছেন। বাঙালির মুক্তিযুদ্ধের গৌরবের সময়টাকে ভুলিয়ে দেওয়ার জন্য যা যা করার দরকার তার সব কিছুই তিনি করেছেন।
আওয়ামী লিগ বা তার কোনও অঙ্গ-সংগঠনের দূরবর্তী সম্পর্কও থাকলেও কারাগারে যেতে অথবা ইউনুসের সমর্থক গোষ্ঠীর হাতে চরম লাঞ্ছিত হয়ে মরতে হয়েছে। সহায়তা করেছে জামায়াত শিবির ও হিযবুত সদস্যরা।
গত ৫ অগাস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর বাংলাদেশ জুড়ে শেখ মুজিবের কত মূর্তি ভাঙা হয়েছে, তার হিসাব কারও কাছে নেই।
