ঢাকা: ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তার আগে ভয়ঙ্কর হিংসার আগুনে পুড়ছে বাংলাদেশ।
চারদিকে আগুন আর ছাই। এই ঘটনাগুলো ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের পূর্ব পরিকল্পিত বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা আওয়ামি লীগ নেতা মহিবুল হাসান চৌধুরি।
এবং ভারতের সঙ্গে ইচ্ছাকৃতভাবে সম্পর্ক খারাপ করার চেষ্টার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী।
হাসান চৌধুরির দাবি, দেশের সব ঘটনা মহম্মদ ইউনূসের পূর্ব পরিকল্পিত ও রাষ্ট্র-পরিচালিত। তিনি দাবি করেন, হাদি একজন মৌলবাদি নেতা ছিলেন যিনি রক্তের দাবি করেছিলেন।
তাঁকে তাঁরই কাছের কেউ অস্ত্রে পোষিত সদস্যরা খুন করেছে, এমনটাই প্রকাশিত খবরে।
তাঁর দাবি, হিংসা ছড়িয়ে পড়লে স্বাভাবিক ভাবেই নির্বাচন আবার পিছিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে। সেই সঙ্গে আওয়ামি লীগের যে তৃণমূলস্তরের কর্মীরা বাংলাদেশে রয়েছেন, তাঁদের সম্পূর্ণভাবে উপড়ে ফেলা সম্ভব হবে। কারণ হাদির মৃত্যু হলেই বাংলাদেশের ইসলামি মৌলবাদীরা প্রকাশ্যে এসে গোটা দেশে হিংসায় উস্কানি দিতে সহজেই পারবে।
১৮ তারিখ নিজের এক্সে জানান, ওসমান হাদি একজন কট্টরপন্থী ছিলেন। আর ইউনুস সরকার ভারত বিরোধী এই জনরোষকে উসকানি দিচ্ছে।
তিনি বলেন, “বাংলাদেশে ওসমান হাদির মৃত্যুকে নির্বাচনের আগে অশান্তির পরিবেশ সৃষ্টি করার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। যাতে নির্বাচনের কাজ বিঘ্নিত হয় এবং বিলম্ব হয়। ভারতীয় দূতাবাসে হামলা পরিকল্পিতভাবে ভারতকে প্রভাবিত করার চেষ্টা এবং অশান্তি পাকানোর চেষ্টা।”
তিনি আরও বলেন, “ওসমান হাদির সঙ্গে ভারতীয় দূতাবাসের কী সম্পর্ক? তাঁরা চাইছেন যাতে ভারতীয় দূতাবাস এই দেশে বন্ধ হয়ে যায়। এবং ইউনুস সরকার জনতাকে উত্তেজিত করতে মদত দিচ্ছে। বাংলাদেশে এখন যা পরিস্থিতি তাতে অন্তর্বর্তী সরকার জনতাকে মদত দিচ্ছে। এবং সেনা ও পুলিশকে চুপ থাকতে বলছে।”
