ঢাকা: দ্রুত একটা উন্নয়নশীল রাষ্ট্রকে কীভাবে নরকে পর্যবসিত করা যায় দেখিয়ে দিলো এই জামাত, ইউনূস গোষ্ঠী।

নির্বাচনের তারিখ ঠিকই ঘোষণা হয়েছে দেশবাসীকে সান্ত্বনা দেবার জন্য কিন্তু নির্বাচন দিলে বিপদ ক্ষমতালোভীর। যারা অবৈধ উপায়ে চেয়ারে বসে আছে এবং ক্ষমতা আরো চায়।

একটা দেশে ধর্মের নামে যা খুশি করার স্বাধীনতা থাকলে যা হয়, তাই হয়েছে ময়মনসিংহে। এমন তো ঘটেই চলেছে। এক পাতি নেতা হাদিকে হত্যা করে নির্বাচন পিছানোর ভালোই ষড়যন্ত্র রচনা করা হয়েছে।

দেশে আইনের শাসন আর ন্যায়বিচার নেই বলেই মব এখন সামাজিক ব্যাধি।

যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তারাও ২ দিনেই জামিন পেয়ে যাবে, ইউনুসের কারিশমায়।

ঘটনাগুলো পরিকল্পিতভাবে গণতান্ত্রিক রাজনীতিকে নিশ্চিহ্ন করা, প্রগতিশীল কণ্ঠ স্তব্ধ করা এবং ভয়ভিত্তিক কর্তৃত্ববাদী শাসন কায়েমের সুস্পষ্ট রাজনৈতিক আগ্রাসন।

গত কয়েকদিনে রাজনৈতিক সহিংসতা ভয়াবহ ও বর্বর রূপ ধারণ করেছে। ঢাকায় ধানমন্ডি ৩২–এর ঐতিহাসিক স্মৃতিচিহ্নে পুনরায় ভাঙচুর, চট্টগ্রামে বরেণ্য রাজনীতিবিদ প্রয়াত এবিএম মহিউদ্দিন ও আওয়ামী লীগ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের বাসভবনে হামলা, বান্দরবানে সাবেক পার্বত্য মন্ত্রী বীর বাহাদুর উ শৈ সিং–এর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, দিনাজপুরে আওয়ামী লীগ সরকারের নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর বাসভবনে আগুন ও ভাঙচুর, উত্তরায় সংসদ সদস্য হাবিব হাসানের বাসভবনে অগ্নিসংযোগ, চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে জাতীয় পার্টির একাংশের সভাপতি ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের গ্রামের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর এবং প্রগতিশীল এক্টিভিস্ট সুশান্ত দাস গুপ্তের বাড়িতে বর্বর হামলা – এসব ঘটনা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, সহিংসতার লক্ষ্য কেবল কোনো একটি রাজনৈতিক দল নয়।

গণতন্ত্রকামী ও প্রগতিশীল রাজনৈতিক শক্তি, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান সবাই আজ সংঘবদ্ধ মব-সন্ত্রাসের শিকার।

এই পরিস্থিতিতেই লোকদেখানো ভোটের গাড়ি উদ্বোধন করবেন ইউনূস।

চোরকে বলে চুরি কর গৃহস্থকে বলে সজাগ থাক। এই অবস্থা ইউনূসের।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে ভোটারদের সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে ‘ভোটের গাড়ি’র প্রচার শুরু হবে আজ সোমবার।

ভোটাররা উদ্বুদ্ধ হবে?

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় বিকেল সাড়ে ৪টায় ভিডিও বার্তার মাধ্যমে ‘ভোটের গাড়ি’ উদ্বোধন করবেন।

গতকাল রোববার সংশোধিত এক তথ্য বিবরণীতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, তথ্য উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী এবং নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *