ঝিনাইদহ: বাংলাদেশে আবারও আক্রান্ত সংখ্যালঘু হিন্দু। একটা লাল সুতোর জন্য তাঁকে প্রায় হত্যাচেষ্টা করা হলো।
দিপু চন্দ্র দাসের পর এবার আক্রান্ত গোবিন্দ বিশ্বাস। পেশায় তিনি একজন রিক্সাচালক। শনিবার তাঁর হাতে লাল সুতো দেখে বেধড়ক মারধর করে জামাতে-ইসলামির কিছু নেতা-কর্মী।
জামাত তো দেশে দেশে আছেই এই কারণে।
গণপিটুনি দিয়ে মরণাপন্ন অবস্থা করা হয় তাঁর। পরে তাঁকে উদ্ধার করে পুলিশ।
চোখে-বুকে গুরুতর আঘাত লেগেছে তাঁর।
তাঁর হাতের কব্জিতে বাঁধা লাল সুতা এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী পরিচয় পেয়ে গোবিন্দ বিশ্বাসকে ভিত্তিহীনভাবে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা “র”–এর এজেন্ট বলে অপবাদ দেয়া হয়।
তিনি বারবার নিজেকে রিকশাচালক পরিচয় দিলেও, তাঁর কথায় কেউ কর্নপাত করেনি-কোন যুক্তি কেউ শোনেনি।
উগ্র-মৌলবাদীদের উদ্দেশ্য ছিল একজন সনাতন ধর্মাবলম্বী হিসেবে তাকে হেনস্থা করা…এরপর তারা গোবিন্দকে মারধর করে গুরুতরভাবে আহত করে।
এতে তার মাথা ফেটে যায় এবং বুকে ও শরীরে অতিরিক্ত আঘাতের কারণে রক্তক্ষরণ শুরু হয়….এখন তার জীবন সংকটাপন্ন!
কি ভয়ানক-জঘন্য-জঙ্গি মানসিকতা!
বাঁচবে কিনা সন্দেহ আছে। তবে আপাতত নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করতে পারে, কারণ ভালুকার দীপু চন্দ্র দাসের মতো জীবন্ত পুড়ে মরতে হয় নাই। এই বাংলাদেশ হিন্দুর না।
