রাজবাড়ী: মানুষ যেমন পাখি মারে ঠিক তেমনি এই ইউনূস সরকার মারছে হিন্দু। তবে সরকারের কাছে অবশ্য তারা সন্ত্রাসী। জঙ্গী জামাতির কাছে হিন্দু সংখ্যালঘু মানে সন্ত্রাসী।

রাজবাড়ি জেলায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপের অভিযোগে গণপিটুনিতে মৃত্যু হয়েছে এক হিন্দু যুবকের। নৃশংসভাবে মারা হয়েছে তাঁকে।

বুধবার গভীর রাতে পাংশা উপজেলার হোসেনডাঙ্গা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। মৃতের নাম অমৃত মণ্ডল। স্থানীয়ভাবে যিনি ‘সম্রাট’ নামে পরিচিত ছিলেন।

তবে অন্তর্বর্তী সরকার একে সাম্প্রদায়িক হামলা বলতে নারাজ। তাদের কথা – এটি সাম্প্রদায়িক হামলা নয়।

হত্যার শিকার হিন্দু যুবককে ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ বলে দাবি করল সরকার। অমৃত মণ্ডল ওরফে সম্রাটের প্রাণহানি নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে দাবি প্রশাসনের।

যদি কারো অপরাধ থাকে, তাহলে তাঁকে হত্যা করার অধিকার কোন সংবিধান দিয়েছে সন্ত্রাসীদের? আর তাকেই সমর্থন করে যাচ্ছে এই সরকার।

সরকারের তরফে দাবি করা হয়েছে, নানারকম অপরাধমূলক কাজকর্মে যুক্ত ছিলেন নাকি তিনি। তার বিরুদ্ধে গত ২০২৩ সালে খুন এবং চাঁদা নিয়ে জুলুম-সহ একাধিক মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে নাকি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি হয়েছে।

তা অন্তর্বর্তী সরকারের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তো সারা দেশের বিরুদ্ধে শুধী জঙ্গী বাদে! এর জবাব কী দেবে সরকার?

হিন্দু নিধন লেগেই রয়েছে দেশে। গত বৃহস্পতিবার রাতে পিটিয়ে খুন করা হয় দীপু দাসকে। অথচ ইউনূসের মায়াকান্না কট্টরপন্থী হাদির জন্য।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *