ঢাকা: জামাত শিবির সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করছে।
নির্বাচন ভণ্ডুল করতেই জামায়াত-শিবির ও সরকারের জামায়াতপন্থী অংশ ষড়যন্ত্র করে হাদিকে হত্যা করেছে।
জামাত শিবিরকে চেনে না এমন মানুষ নেই। নিহত ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদির ভাই শরীফ ওমর হাদি খোদ বলেছেন জামায়াত-শিবির ও সরকারে থাকা একটি মহল আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ভণ্ডুল করার উদ্দেশ্যে এই হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত করেছে।
“আপনারাই ওসমান হাদিকে হত্যা করিয়েছেন, আর এখন এটিকে ইস্যু বানিয়ে নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করছেন,” জামায়াত-শিবির ও সরকারকে উদ্দেশ করে বক্তব্যে বলেন ওমর হাদি।
জামায়াত-শিবির ও সরকারের জামায়াতপন্থী অংশের সংশ্লিষ্টতায় হাদীকে হত্যা করা হয়েছে।
সুদখোর মেটিকুলাস ডিজাইনে ষড়যন্ত্র করে মাস্টার মাইন্ড নিয়োগ দিয়ে সাজানো গোছানো দেশটা লুটপাট করে নিজের সকল সুবিধা নিয়ে ধংস করে দিয়েছে এরা।
আজকের বাংলাদেশে জামায়াতের এত স্বাদ কেন?
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান তাই বলেন, আজকের বাংলাদেশ পেতে ১৯৪৭ সাল থেকে ২০২৪ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর চীনমৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সদস্য সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, আজকের বাংলাদেশ পেতে ৪৭ সাল থেকে ২৪ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে। ছাত্রশিবিরকে আগামী দিনের ছাত্রসমাজের দায়িত্ব নিতে হবে।
নিজেদের বেকসুর প্রমাণ করার চেষ্টা এরা বরাবর করে আসছে। এরা কবে কলম চিনেছে যে আজ নির্বাচনের আগে হঠাৎ কলমের কথা বলে!
শফিকুর রহমান আরো বলেন, গত ৫৪ বছর ছাত্রদের হাত থেকে কলম কেড়ে নিয়ে অস্ত্র তুলে দেওয়া হয়েছিল। সেই কালো অধ্যায় শেষ হতে চলেছে। কিন্তু কালো ছায়া এখনো যায়নি।
জামায়াত আমির বলেন, এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা তোমাদের জন্য আয়োজন করতে চাই, যে শিক্ষাব্যবস্থা তোমাদের মানুষের মতো মানুষ হতে সাহায্য করবে। যে শিক্ষাব্যবস্থা তোমাদের শিক্ষার চরম উৎকর্ষে পৌঁছে দেবে। এবং এ শিক্ষা নিয়ে, উন্নত চরিত্র নিয়ে, দক্ষ কারিগর হয়ে তোমরা সমাজগঠনে আত্মনিয়োগ করবে। আর একজন যুবক-যুবতিও বেকার থাকবে না।
