ঢাকা: দেশটায় সব জ্বলেপুড়ে খাক হয়ে যাচ্ছে। হয়ে যাচ্ছে বলতে খাক করে দেয়া হচ্ছে।
সেন্টমার্টিনগামী আটলান্টিক ক্রুজে আজ সকালে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। জাহাজে থাকা একজন আগুনে পুড়ে মারা গেছেন। এভাবেই ধ্বংসের পথে এগিয়ে চলছে দেশ।
সেন্টমার্টিন যাওয়া বন্ধ করার জন্য প্রয়োজনে সেন্টমার্টিনগামী সকল যাত্রী পরিবহন করা জাহাজ স্পিডবোট টলার নৌকা সব পুড়িয়ে ধ্বংস করে দেবে, তার পরেও সেখানে যাওয়া বন্ধ করবে এই জঙ্গী সরকার।
এই ঘটনায় দেশবাসী হতভম্ব! লোভের খেলা কোথায় গিয়ে পৌঁছেছে।
যাত্রী ওঠার আগমুহূর্তে সেন্টমার্টিনগামী পর্যটকবাহী জাহাজ দ্যা আটলান্টিক ক্রুজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে। জাহাজের এক কর্মচারী নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় ক্রুসহ জাহাজে ১৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কক্সবাজারের নুনিয়াছড়া বিআইডব্লিউটিএ ঘাট সংলগ্ন বাঁকখালী নদীতে অবস্থানরত জাহাজটিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে।
নিহত কর্মচারীর নাম নুর কামাল (৩৫) বলে জানা গিয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় তিনি জাহাজের একটি কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন বলে জানা গেছে।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল ৭টার দিকে যাত্রী পরিবহনের জন্য ঘাটে নোঙর করা অবস্থায় জাহাজটিতে হঠাৎ আগুন লাগে।
আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট, কোস্টগার্ড ও প্রশাসনের স্বেচ্ছাসেবক দল অংশ নেয়।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন বলেন,
“জাহাজের এক কর্মচারীর সম্পূর্ণ ভস্মীভূত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি একটি কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন। আর কেউ ভেতরে আটকা পড়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আগুন লাগার কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।”
সী ক্রুজ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর জানান,“আজ এই জাহাজে করে ১৯৪ জন পর্যটকের সেন্টমার্টিন যাওয়ার কথা ছিল। সৌভাগ্যবশত কেউ তখনো জাহাজে ওঠেননি, সবাই ঘাটে অপেক্ষা করছিলেন। যাত্রীদের একটি অংশকে অন্য জাহাজে ধারণক্ষমতা অনুযায়ী সেন্টমার্টিন পাঠানো হয়েছে। বাকি যাত্রীরা রবিবার যাত্রা করবেন।”
আগুন কীভাবে লাগলো তা তদন্তে প্রশাসন পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানিয়ে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিলা তাসনিম বলেন,“যান্ত্রিক ত্রুটি কিংবা অন্য কোনো কারণে আগুন লেগেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।”
তবে এই তদন্ত আদৌ শেষ হবে কিনা, সন্দেহ আছে।
