ঢাকা: শীত বাড়লে অনেকের ভালো। তবে খেটে খাওয়া মানুষগুলোর বড্ড কষ্ট।
এখন ভোর শুরু হতেই বয়ে যাচ্ছে কনকনে হিমেল হাওয়া। হিমশীতল হাওয়ায় শীতের অনুভূতিও বাড়ছে। তবে ভোরের শীত উপেক্ষা করে কর্মস্থলের দিকে ছুটতে হয় খেটে খাওয়া মানুষদের।
অনেকের শরীরে পর্যাপ্ত শীতের পোশাক নেই। তবুও শীত সহ্য করে তারা নেমে পড়েন জীবন যুদ্ধে।
শীত নিবারণে অনেকে কাগজ–কাঠ পুঁড়িয়ে উষ্ণতা নেন।
ঘন কুয়াশার কারণে পাটুরিয়া দৌলতদিয়া ও আরিচা কাজিরহাট নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সন্ধ্যা নামলেই।
রাজধানীসহ সারা দেশের আটটি বিভাগের ওপর বয়ে চলেছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।
শুক্রবার যশোরে চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ ডিগ্রি।
এদিকে সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে হিমালয় থেকে আসা হিমেল হাওয়ায় কাঁপছে। গতকাল সকাল ৯টার দিকে তেঁতুলিয়ায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে তাপমাত্রা আরো কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, আগামী মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) পর্যন্ত পাঁচ দিন দেশের তাপমাত্রা আরো কমতে পারে।
আগামী সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে।
চুয়াডাঙ্গাও কাঁপছে শীতে। গতকাল শুক্রবার সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৫ শতাংশ।
