ঢাকা: ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে ৪২০ যোদ্ধারা দেশটাকে খুবলে খেয়ে ফেলেছে।

এদের কাজ দেশে উন্নতি নয়, বরং পাকিস্তান জিন্দাবাদ বলতে তারা ওস্তাদ।

যখন স্বাধীন বাংলাদেশে দাঁড়িয়ে পাকিস্তান জিন্দাবাদ বলে স্লোগান দেয়, জঙ্গী সরদার ইউনূস সে স্লোগান শুনে হাত তালি দেয়।

ইউনূসের আমলে হাজার হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছে।

হাজারো শ্রমজীবী মানুষের কান্না ঝরে পড়ছে। যারা ইউনূস সরকারের তথাকথিত সংস্কারের ধাক্কায় বেকার, নিঃস্ব ও ভবিষ্যৎহীন হয়ে পড়েছে।

শত শত কারখানা উৎপাদন কমিয়েছে, অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। ইউনূস সরকারের অব্যবস্থাপনা, ডলার সংকট ও বিদ্যুতের অস্থিরতার কারণে গার্মেন্টস শিল্প আজ ধ্বংসের মুখে।

এখন হাজার হাজার শ্রমিক কর্মহীন। ভাড়া দিতে পারছে না, সন্তানদের স্কুল বন্ধ, চিকিৎসা অনিশ্চিত।

একজন নারী শ্রমিক বলেন, “কারখানা বন্ধ, বেতন নাই, তবু সরকারের লোকেরা টিভিতে বলে সব ঠিক আছে। আমরা কি মানুষ না?”

নানা সংকটে দেশের ৫০টি টেক্সটাইল মিল বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল।

নিজেকেও টেক্সটাইলবিহীন সভাপতি হয়ে যেতে পারেন বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। এই খাতকে বাঁচাতে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সরকারের সিদ্ধান্ত চেয়েছেন বিটিএমএ সভাপতি।

বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল জানান, এখন ব্যবসায় সংকট। অর্থনীতিতে সংকট। রাজনীতিতে সংকট। ভারতের সুতা বাংলাদেশে ডাম্পিং হচ্ছে ৩০ সেন্ট কম মূল্য হ্রাস করে। এরইমধ্যে ৫০টি মিল বন্ধ হয়ে গেছে।

এতে ২ লাখ কর্মসংস্থান হারিয়েছে দেশ। চাইলেই বন্ধ হওয়া মিলগুলো চালু করা যাবে না। এ খাত নিয়ে বিগত ২০ মাসে সরকারের কোনো আলোকপাত দেখতে পাইনি।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *