ঢাকা: এনসিপি হলো জামাতের বি টীম। তারা দুই ভাই। তারা জাতির পিতাকে মানবেনা, মুক্তিযুদ্ধকে মানবেনা, ৭১ কে ২৪ এর সাথে মিলিয়ে দুটোকে এক করবে, এক করবে বললেও ভুল- ৭১ তো হয়ইনি তাদের জন্য।
রাজাকার, স্বাধীনতাবিরোধী, পাকিস্তানপন্থীরা ৭২ এর সংবিধানকে কবর দিতে চাইবে, ৩০ লক্ষ শহীদ এবং ২ লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রমের সংখ্যা নিয়ে দ্বিমত পোষণ করবে, তারা ৭৫ কে অস্বীকার করবে, তারা ধানমন্ডি ৩২ গুঁড়িয়ে চুরমার করবে, তারা মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরে আগুন দেবে, মুক্তিযুদ্ধের সকল স্মৃতি মুছে দেবে- আর বাকি কী রইলো?
আদর্শ যখন এক তখন তো একই রক্তের, বোঝাই যাচ্ছে।
জুলাই যে জঙ্গী আন্দোলন ছিলো তার কী আরো প্রমাণ লাগবে?
মুখে যে টোকাইদের এত কথা, এবার তো মুখোশ উড়িয়ে দিয়ে রাজাকারের কাঁধে কাঁধ রাখলো। কোথায় গেলো দেশপ্রেমের বাণী?
এরা হল জঙ্গি উগ্রবাদী দেশদ্রোহী মব সন্ত্রাসী কিলার পুলিশ গণহত্যাকারী। মিথ্যা প্রোপাগান্ডা দিয়ে দেশ ধ্বংস করেছে এই টোকাই জামাতিরাই।
জামাত ইসলামির নেতৃত্বাধীন জোটে তো যোগ দিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজনৈতিক দল এনসিপি। তাতে দলের আসল উদ্দেশ্য বুঝতে পেরে অনেকেই পদত্যাগ করছেন।
যে জঙ্গী বিপ্লব করেছিলো , তার মুখোশ খুলে গেলো।
জামাতের আমির বলেন, “এটা আমাদের মজবুত নির্বাচনী সমঝোতা। সারাদেশে তিনশো আসনে প্রার্থী নির্ধারণ করেছি। যেহেতু দুই দল শেষ পর্যায়ে এক হয়েছে, ফলে বিষয়টি খুবই দুরূহ হয়ে গিয়েছে। শেষকালে আরও কোনও কোনও দলের আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও আমরা তাদের যুক্ত করতে পারিনি।”
রবিবার বিকেলে জামাতের আমির শফিকুর রহমান এই ঘোষণা করেন।
তিনি জানান, এতদিন পর্যন্ত আটটি দল নিয়ে জামাতের জোট ছিল। তবে আজ থেকে এনসিপি ও এলডিপি যোগ দেয়। ঢাকা ট্রিবিউনে প্রকাশ, ‘কিছুক্ষণ আগে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন। রবিবার রাতের মধ্যেই এনসিপিও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবে।
এরা কার আদর্শের, কার দাঁড়া পরিচালিত তা পরিষ্কার। জুলাই-আগস্টের বিপ্লবীরা যোগ দিল মৌলবাদী জোটে।
এবং প্রমাণ হয়ে গেল, জুলাই বিপ্লবের মুখোশে শেখ হাসিনা সরকারকে উৎখাতের ছক কষেছিল এই জামাত। ছাত্ররা তো হাতের পুতুল ছিলো।
