ঢাকা: ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দুই নাম্বার স্বাধীনতার ৪২০ যোদ্ধারা যখন স্বাধীন বাংলাদেশে দাড়িয়ে পাকিস্তান জিন্দাবাদ বলে স্লোগান দেয়, জঙ্গী ইউনূস সে স্লোগান শুনে হাত তালি দেন, কারণ তিনিও হাত মিলেয়েছেন একাত্তরের সেই পরাজিত ঘাতকদের সাথেই।

বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান ‘জয় বাংলা’ নিষিদ্ধ হয়েছে, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হয়েছে।

স্বৈরাচারী ইউনূস যখন জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটা গণতান্ত্রিক সরকারকে স্বৈরাচার-ফ্যাসিস্ট বলে ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠার একটিভিজম চালান তখন এসব অপপ্রচার সচেতন জনগণের কাছে হাস্যকর।

বাংলাদেশের মানুষের কাছে দেশবিরোধী ইউনূসের শয়তান রুপী চেহারাটা আজ উন্মোচিত।

আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন হবে, তা কেমন নির্বাচন? প্রশ্ন তসলিমা নাসরিনের।

তিনি বলেছেন, “এখন যে নির্বাচন হচ্ছে, দেশের বড় একটি রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে, নিষিদ্ধ করে–এ্টি কোন জাতের নির্বাচন? এই নির্বাচন কি বৈধতা পাবে আদৌ? এ তো শেখ হাসিনার করা ২০১৮ সালের প্রহসনের নির্বাচনের মতোই এক নির্বাচন।

তসলিমা নাসরিন শেখ হাসিনার সমালোচনাও করেন। দেশ থেকে নির্বাসিত তিনি। এক্ষেত্রে খালেদা জিয়া এবং শেখ হাসিনাকে এক কাতারে ফেলেন তিনি।

তসলিমা বলেন, ‘আসলে এই হাসিনাবিরোধীরা সবচেয়ে বেশি অনুসরণ করছে হাসিনাকেই। হাসিনাই তাদের শিক্ষক’।

আরো বলেন, “বিএনপি, এনসিপি, জামায়াতে ইসলামির মধ্যে আদর্শগত ভাবে কোনও পার্থক্য নেই। যারাই ভোটে জিতবে, তারাই কোরআন সুন্নাহর আইন আনবে।

দেশের কোনও রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করাকে একবার মেনে নিলে বারবার মেনে নিতে হবে। এরপর হয়তো বিএনপিকে নিষিদ্ধ করা হবে। তখন? অন্যায় কোন দল করেনি? খুন খারাবি কোন দল করেনি? সন্ত্রাস কোন দল করেনি? একা আওয়ামী লীগকে দোষ দিলে নিজেকেই ফাঁকি দেওয়া হয়।

আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে যেদিন সব দলকে নিয়ে নির্বাচন হবে, সেদিনই হবে বৈধ নির্বাচন, তার আগে নয়”।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *