ঢাকা: বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরেই তথা পতনের মধ্য দিয়ে নখ দাঁত বের করে ঝাঁপিয়ে পড়েছে জঙ্গী গোষ্ঠী।

আর ক্ষমতায় এসেই পাকিস্তানের সাথে এক পাতে খাওয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ। জেল থেকে বের করে দেয়া হয়েছে একের পর এক জঙ্গী।

আর জেল থেকে বের হয়েই জঙ্গীরা ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলের দিকে নজর দিয়েছে এবং অশান্তি বাঁধানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এর মধ্যে বেশ কয়েকজন পাতি নেতার মুখে সেভেন সিস্টার্স অস্থির করে তোলার হুমকি শোনা যাচ্ছে। এমনকি হাসনাত আব্দুল্লাহ এও বলেছে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের তারা সহায়তা দেবে এবং সেভেন সিস্টার্স দখল নেবে! বাড়াবাড়ি চূড়ান্ত পর্যায়ে গেলে যেমন হয় তেমন!

এমন অবস্থায় উত্তর পূর্বে বড় ধরনের নাশকতার ছক বানচাল করেছে আসাম পুলিশ।

অসম ও ত্রিপুরায় হানা দিয়ে জঙ্গি মডিউল ইমাম মাহমুদ কাফিলা (আইএমকে) ১১ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে অসম পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স‌। ১০ জন আসামের, একজন ত্রিপুরার।

এক সংবাদ সম্মেলনে গুয়াহাটির পুলিশ কমিশনার পার্থসারথি মহন্ত বলেন, কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির দেওয়া গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF) গ্রেপ্তার করেছে।

মহন্তের মতে, সোমবার গভীর রাতে আসামের বরপেটা, চিরাং এবং দরং জেলায় সমন্বিত অভিযান চালানো হয়েছে, পাশাপাশি ত্রিপুরাতেও। “আমরা মোট ১১ জন জিহাদিকে গ্রেপ্তার করেছি যারা বাংলাদেশ-ভিত্তিক গোষ্ঠীগুলির সরাসরি নির্দেশে কাজ করছিল,” তিনি বলেন।

মহন্ত দাবি করেন যে এই গোষ্ঠীর লক্ষ্য ছিল আসাম এবং উত্তর-পূর্বের অন্যান্য অংশকে অস্থিতিশীল করা।

পুলিশ জানিয়েছে, এই গোষ্ঠীর নেটওয়ার্ক, তহবিলের উৎস এবং অন্যান্য চরমপন্থী সংগঠনের সাথে সম্ভাব্য যোগসূত্র নিশ্চিত করার জন্য আরও তদন্ত চলছে।

গোয়েন্দা সংস্থাগুলির প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, আইএমকে একটি বাংলাদেশ ভিত্তিক জিহাদি সংগঠন “জমাত-উল-মুজাহিদীন বাংলাদেশ”-এর অঙ্গসংগঠন।

এটি ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং প্রতিষ্ঠাতা জুয়েল মাহমুদ, যিনি নিজেকে “ইমাম মাহমুদ হাবিবুল্লাহ” বা “সোহাইল” নামে পরিচিত, আইএমকে-এর প্রধান হিসেবে কাজ করছেন।

সংগঠনটি “গাজওয়াতুল হিন্দ” মতাদর্শ প্রচার করে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *