ঢাকা: মাতৃভাষা দিবস, মহালয়া, পুজো এগুলোতে বড় আপত্তি এই জঙ্গী সরকারের। তাই এগুলোর অস্তিত্ব বিলীন করে ফেলার অপচেষ্টা চলছে পাকিস্তানকে খুশি করার জন্য।
২০২৬ সালে ছুটি থাকছে না যেসব দিবসে তালিকাটা দেখুন:
পবিত্র শবে মেরাজ, সরস্বতী পূজা, একুশে ফেব্রুয়ারি (শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস), মে দিবস, বুদ্ধ পূর্ণিমা, পবিত্র আশুরা, শুভ জন্মাষ্টমী, মধু পূর্ণিমা, শুভ মহালয়া।
মাতৃভাষা দিবস আমাদের জাতীয় গৌরবের অংশ।সেই গৌরবেও ছুড়ি চালালো ইউনুস। অথচ কেউ প্রতিবাদ করল না? যারা কট্টর হাদির জন্য গলা ফাটায়, তাঁরা কোথায়? তাঁরা না ন্যায় চায়? তা ন্যায় কি বেছে বেছে হয় নাকি?
মে দিবস তো আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত।এটাও বাদ দিতে হবে?তার মানে এখন পৃথিবী মানেই কেবল পকিস্থানের আকাশ!বাহ!
সরস্বতী পূজা, মহালয়া,বৌদ্ধ পূর্ণিমা, মধু পূর্ণিমা,জন্মাষ্টমী? আশুরা,সবে মেরাজও বাদ যাবে? ও ভুল হয়েছে। এরা তো মুসলিম না, মওদুদি।মওদুদিরা মুসলিম না।
এর তীব্র সমালোচনা করেন তসলিমা নাসরিন!
“দেশটাকে যতটা নষ্ট করা যায়, করে যাচ্ছে এই সরকার। ২১শে ফেব্রুয়ারিতে, ২৬শে মার্চ, ১৬ই ডিসেম্বরে সরকারি ছুটি নেই। পয়লা বৈশাখে ছুটি নেই।
ছুটি শুধু ধর্মীয় উৎসবে। দেশে স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, ভাষা দিবস বলে কিছু থাকবে না। পাকিস্তানের কাছে আবেদন জানানো উচিত, যেন ক্ষমাঘেন্না করে এই হতভাগা দেশটাকে সঙ্গে নেয়। যেন ৭১এর ভুলকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখে। আফটার অল, মুসলমান মুসলমান ভাই ভাই”।
২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকাটা নিয়ে কোনো প্রতিবাদ দেখা গেলো না। সব চুপ।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জন্য ছুটির এই তালিকা প্রকাশ করেছে।
উপসচিব সাবিনা ইয়াসমিন স্বাক্ষরিত এই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মকর্তার পরিদর্শন উপলক্ষে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়া যাবে না এবং সংবর্ধনা/পরিদর্শন উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বন্ধ করা যাবে না। সংবর্ধিত/পরিদর্শনকারী ব্যক্তির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাঁড় করানো যাবে না।
এবার মোট ছুটি রাখা হয়েছে ৬৪ দিন; যা বিদায়ী ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের তুলনায় মোট ১২ দিন কম।
পাকিস্তানি জঙ্গী সরকার দেশটাকে মাথায় তুলে নাচছে।
প্রকাশিত ছুটির তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ২০২৬ সালের ৮ মার্চ থেকে পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরের ছুটি শুরু হবে।
অথচ ১৭ ফেব্রুয়ারি (চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল) থেকে রোজা শুরু হওয়ার কথা। যদি সেদিন থেকে রোজা শুরু হয়, তাহলে ২১ রমজান পর্যন্ত স্কুল খোলা থাকবে।
২০২৫ সালে রোজা, দোলযাত্রা, স্বাধীনতা দিবস, জুমাতুল বিদা, শবে কদর ও ইদুল ফিতর মিলিয়ে ২৮ দিন ছুটি রাখা হয়েছিল।
২০২৬ সালে এ রোজা-ঈদসহ এ দিবসগুলো উপলক্ষে ছুটি কমিয়ে ১৯ দিন করা হয়েছে। ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ মিলিয়ে আগে ১৫ দিন ছুটি ছিল। এবার তা ১২ দিন করা হয়েছে। এ ছাড়া শীতকালীন অবকাশও একদিন কমানো হয়েছে।
