ঢাকা: ৫ই আগস্টের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তন তথা আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি পাল্টাতে থাকে। ইউনুস সরকারের সময় জঙ্গিবাদ প্রশ্নে নতুন একটি বয়ান সামনে আসে—বাংলাদেশে নাকি প্রকৃত অর্থে জঙ্গি নেই, অতীতের সবই ছিল নাটক।
মিথ্যাবাদী স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, প্রধান উপদেষ্টা বলেই চলেছেন এই কথা। অথচ বাস্তবতা কী বলে?
এই বক্তব্যের প্রেক্ষাপটেই একের পর এক ভয়ংকর জঙ্গি জামিনে মুক্তি পেতে থাকে। যাদের বিরুদ্ধে আত্মঘাতী হামলা, বিস্ফোরক মজুত ও নাশকতার অভিযোগ ছিল, তারাই আবার সমাজে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা শুরু করে।
এখানেই কি শেষ? দেশটাকে কোনদিকে ধ্বংস করার বাকি আছে?
অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক কোনোদিকেই আর আস্ত নেই দেশ।
ইউনুস সরকারের অধীনে সংখ্যালঘু হওয়া মানেই মৃত্যুর অপেক্ষা।
অবৈধ ইউনুস সরকারের শাসনামলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর ধারাবাহিক হামলা, নির্যাতন ও রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে—রাষ্ট্র কি আদৌ হিন্দুদের নিরাপত্তা দিতে পারছে?
অবৈধ ইউনুস সরকারের আমলে সংখ্যালঘু হত্যা যেন ‘রুটিন ঘটনা’।
বীর মুক্তিযোদ্ধা ফিরোজা বেগম, যুদ্ধের দহন এখনো তিনি বয়ে বেড়াচ্ছেন।
হানাদারদের বর্বরতার পরে এদেশে অনেকেই তাঁকে অপমান-অশ্রদ্ধা করেছে, সইতে না পেরে পাগল হয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরেছেন। এখন তাঁর বয়স হয়েছে, এই শেষ সময়ে একটু সম্মান-শান্তি নিয়ে বাঁচতে চান তিনি। আর কোন অপমান নয়, ইতিহাস-বিকৃতি নয়; শুধু একটু মর্যাদা দিলেই তাঁদের হবে।
সেই মর্যাদা কে দেবে? রাষ্ট্র? ওরা তো জঙ্গীকে কারাগার থেকে মুক্তি দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের ভিতরে ঢুকিয়ে মেরে ফেলছে।
মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাগণ আমাদের দেশের গৌরব। কিন্তু ফিরোজা বেগমদের নিরাপত্তা কোথায়?
