ঢাকা: টোকাই নাহিদ ইসলাম নাকি শিক্ষকতা করেন? তা কোথাকার শিক্ষক, দেশবাসী আগে কখনো শোনেনি।
যে শিক্ষকের নিজের পথচলা ঠিক নেই, তিনি জাতিকে কী শেখাবেন?নিজে মানুষ হওয়ার শিক্ষা নাই কিন্তু স্বপ্ন দেখে দেশ চালানোর!
দেশের ট্রাজেডি এখানেই অশিক্ষিত আচরণ যেখানে যোগ্যতার মাপকাঠি, সেখানে ক্ষমতার চাবি সবচেয়ে নোংরা হাতে চলে যায়।
নাহিদ ইসলামরা দেশটাকে কারাগার বানিয়ে ফেলেছে।
৫ আগষ্টের পর যখন আওয়ামী লীগের লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মী দেশ ছাড়া, অপারেশন ডেভিল হান্টের নামে প্রায় ৪ লক্ষাধিক ছাত্রলীগের নেতাকর্মী কারাগারে, কারাগারের ভেতরেই নৃশংস কায়দায় হত্যা করা হচ্ছে আওয়ামীলীগ সমর্থকদের, শুধুমাত্র ছাত্রলীগ করার অপরাধে কয়েক লক্ষ শিক্ষার্থীর জীবন ধ্বংস করে দেয়া হচ্ছে তখন আসে নাহিদ ইসলামের নাটক।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম তাঁর হলফনামায় বর্তমান পেশা হিসেবে পরামর্শক এবং আগের পেশা অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা উল্লেখ করেছেন।
আর তিনি শিক্ষকতা ও পরামর্শ দিয়ে বছরে নাকি আয় করেন ১৬ লাখ টাকা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১১ আসনে প্রার্থী হিসেবে হলফনামায় এমন তথ্য দিয়েছেন তিনি।
শিক্ষাগত যোগ্যতায় উল্লেখ করেছেন স্নাতক। তাঁর স্ত্রী ফাতিমাতুজ জোহরা পেশায় গৃহিণী।
অস্থাবর সম্পদে নাহিদ উল্লেখ করেছেন, নগদ অর্থ আছে ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা। স্ত্রীর কাছে আছে ২ লাখ টাকা। ব্যাংকে আছে ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৩৬৩ টাকা ৫৭ পয়সা।
নিজের কাছে অর্জনকালীন পৌনে ৭ লাখ ৭৫ হাজার টাকার গয়না আছে। স্ত্রীর কাছে আছে অর্জনকালীন ১০ লাখ টাকা মূল্যের গয়না। এ ছাড়া ১ লাখ টাকার ইলেকট্রনিক পণ্য আছে এবং আসবাবপত্র আছে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকার।
আয়কর রিটার্নে নাহিদ ৩২ লাখ ১৬ হাজার ১২২ টাকার সম্পদের হিসাব দিয়েছেন। আয়কর দিয়েছেন ১ লাখ ১৩ হাজার ২৭৪ টাকা।
তবে স্থাবর সম্পদে তিনি কোনো কিছু উল্লেখ করেননি। ঋণের তথ্যে তিনি উল্লেখ করেছেন, নির্ভরশীল ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ (স্ত্রী) ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের রামপুরা শাখা থেকে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছেন।
