ঢাকা: শেখ হাসিনা স্বৈরাচার ছিলেন! এই জঙ্গী অন্তর্বর্তী সরকারের মুখের বুলিই এটা, তা স্বৈরাচারের স্বৈরাচারী কাজগুলোই কেন জনগণের উপকারে এসেছে এতদিন? জনগণ কেন স্বৈরাচারীকেই চায়?
শেখ হাসিনা সরকারের বই বিতরণ উৎসবের ধারাবাহিকতা কেন ধরে রাখতে পারলো না অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ?
শিক্ষাবর্ষ শুরু হলেও বছরের প্রথম দিনে বিনা মূল্যের পাঠ্যবই পায়নি মাধ্যমিক স্তরের বহু শিক্ষার্থী।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) পরিকল্পনা ছিল প্রথম দিনেই সব শিক্ষার্থীর হাতে অন্তত এক থেকে দুটি করে হলেও বই তুলে দেওয়া। কিন্তু সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির একটি বইও যায়নি অনেক বিদ্যালয়ে, রাজধানীতেও আছে।
শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তকের সংকট কমাতে ২০০৯ সালে শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার বিনামূল্যে বই বিতরণের সিদ্ধান্ত নেয়।
ওই বছর সরকার ২৯৬ কোটি ৭ লাখ টাকার পাঠ্যপুস্তক প্রদানের উদ্যোগ নেয় এবং ২০১০ সালের ১ জানুয়ারি এটি প্রথম উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
নববর্ষের প্রথম দিনে কচি-কাঁচার হাতে তুলে দেওয়া হতো নতুন বই। কুয়াশা ভেজা সকালে খালি হাতে স্কুলে গিয়ে, বুকভরা আনন্দ আর নতুন বইয়ের ঘ্রাণ নিয়ে তারা ফিরত বাড়িতে।
শিক্ষাকে উৎসবে রূপ দেওয়া এই মহৎ উদ্যোগ আজ ইতিহাসের খাতায় হারিয়ে গেছে।
একদিনে বিশাল সংখ্যক বই সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম। তার পর থেকে একটানা তিন মেয়াদে ১৫ বছর বছরের প্রথম দিনে বই বিতরণ উৎসব পালন করতে সক্ষম হয়েছিলো আওয়ামী লীগ সরকার।
কিন্তু এই কাজটা কেন করতে পারলো না ইউনূস সরকার?
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে ২০২৫ সাল এবং এবছর ২০২৬ সালে বছরের প্রথম দিনে পালিত হয়নি বই উৎসব। কোটি শিক্ষার্থী পায়নি নতুন বছরের পাঠ্যবই।
শেখ হাসিনার সময় ১লা জানুয়ারি মানেই নতুন বই,নতুন ঘ্রাণ,নতুন শুরু। আর এই নতুন ছোঁয়ার-নতুন শুরুর স্বপ্নের সারথি ছিলেন একজন শেখ হাসিনা।
আজ আর এমন বই উৎসব হয় না এদেশে।
আজ শিক্ষাঙ্গনে শুধু হাহাকার আর অনিশ্চয়তা। শিক্ষার্থীরা মানুষ হোক এটা চায় না সরকার, তাঁদের জঙ্গী বানানোর তালে ইউনূস গং।
