যশোর: একের পর এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটছে এই দেশে। রহস্যময় আগুন বলা কি ঠিক হবে? রহস্যময় নয়, এই আগুন লাগানো হচ্ছে। আগুন সন্ত্রাস ছড়িয়ে পড়েছে দেশে।
নির্বাচনের আগে এবার যশোরের রেজিস্ট্রি অফিসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়েছে।
নথিপত্র পুড়িয়ে দেয়াই উদ্দেশ্য? যশোরের ওই রেজিস্ট্রি অফিসে কয়েক শত বছরের পুরনো নথি রয়েছে। উক্ত অফিসে ব্রিটিশ আমলের ভলিউম বুক, বালাম বই, সূচিপত্র, টিপ বইসহ যশোর ও আশপাশের এলাকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমি সংক্রান্ত নথি রয়েছে।
এই আগুন ঘিরে বহু প্রশ্নের উদয় হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ দলিল পুড়িয়ে কার লাভ? কাকে ভূমি থেকে উচ্ছেদ করার পরিকল্পনা ?
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
পরে ২০ মিনিট চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস।
তবে বিদ্যুৎবিহীন এবং তালাবদ্ধ ঘরটিতে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হলো, তার কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি রহস্যজনক বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। এখানে শর্ট সার্কিটের কোনো সম্ভাবনা নেই।
যশোরের শার্শা সাবরেজিস্ট্রি অফিসের মোহরার শামসুজ্জামান মিলন জানান, তার বর্তমান কর্মস্থল শার্শা হলেও তিনি যশোর শহরের পোস্ট অফিসপাড়ায় থাকেন। জেলা রেজিস্ট্রি অফিসে একসময় তিনি চাকরি করেছেন। এই রেকর্ড রুমে ১৭৪১ সাল থেকে ১৯৪০ সাল পর্যন্ত যশোর ও আশপাশ এলাকার গুরুত্বপূর্ণ দলিল, ভলিউম বুক, বালাম বই, সূচিপত্র, টিপবইসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র সংরক্ষিত ছিল।
আগুন লাগার সময় নৈশপ্রহরী কেন ছিলো না, সেটাও তো প্রশ্ন! সে যুক্ত থাকার সম্ভাবনা প্রকট হচ্ছে।
রেজিস্ট্রি অফিসে এত মূল্যবান নথি থাকার কথা জানা যাচ্ছে, সেখানে নিরাপত্তা নিয়ে কী পদক্ষেপ করেছে ইউনুস সরকার?
