ঢাকা: খোকন দাস আর বেঁচে নেই।মৌলবাদীদের রোষানলে শেষ হয়ে গেলেন আরেক হিন্দু।

ময়মনসিংহের পরে শরীয়তপুর। এভাবে হয়তো গোটা দেশের হিন্দু…!

ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর পরে তাঁর গায়ে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল হিন্দু বিরোধী, ইসলামপন্থী মৌলবাদী গোষ্ঠী।

সেই পৈশাচিক হামলার তিন দিনের মাথায়, অর্থাৎ শনিবার হাসপাতালে মৃত্যু হল বাংলাদেশের শরীয়তপুর জেলার খোকনচন্দ্র দাসের।

গত বুধবার রাতে শরীয়তপুরের ডামুড্যা এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ী খোকনের উপর হামলা চালানো হয়। এই মানুষটি সহজ সরল জীবন যাপন করতেন। সংসার চালাতেন, তিনি কি তাদের ক্ষতি করেছিলেন? করেননি! ক্ষতি তাদের একটাই, তিনি হিন্দু।

প্রথমে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয় তাঁকে। তার পরে পেট্রল জাতীয় কিছু দ্রব্য তাঁর গায়ে ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনার পরে দগ্ধ অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় বাসিন্দারাই নিয়ে যান শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে। পরে সেই রাতেই তাঁকে স্থানান্তর করা হয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে। সেখানে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে ভর্তি ছিলেন।

তবে বাঁচানো যায়নি তাঁকে। শনিবার সকালে হাসপাতালেই মৃত্যু হয় তাঁর। মরলো আরেক হিন্দু। মৌলবাদীর মাথার বোঝা যেন আরেকটু নামলো। ইউনূস গং, জঙ্গীরা তো তাই চায়।

কট্টরপন্থী নেতা ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকে দেশের পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিভিন্ন জায়গায় ভাঙচুর এবং তাণ্ডব চলে। ওই সময়েই ময়মনসিংহে হামলা হয় দীপু চন্দ্র দাস নামে এক যুবকের উপর।

তাঁকে হত্যার পরে দেহে আগুন জ্বালিয়ে দেয় একদল উন্মত্ত জনতা। এমন বিভৎস ঘটনায় কেঁপে ওঠে দেশ।

সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে ভারত সরকার। যদিও অন্তর্বর্তী সরকার ময়মনসিংহের ঘটনাকে একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলেই ব্যাখ্যা করছিল। তার কাছে সব বিচ্ছিন্ন ঘটনা।

এবার কোন ঘটনা?

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *