ঢাকা: চোরে চোরে মাসতুতো ভাই ছিলো। তবে এখন বড় আকালের দিন।
এনসিপির চাঁদাবাজি নিয়ে জামাত-শিবিরকে কোন টু শব্দ করতে দেখা যায়নি! আবার জামাতের চাঁদাবাজি, অপকর্ম নিয়ে এনসিপিকে টু শব্দ দিতে দেখা যায়নি।
এই কারণেই বলা হয়:
জামাত-শিবির এনসিপি,
এক বোতলের দুই ছিপি।
তবে এখন পাশা উল্টে গেছে।
জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি আসন সমঝোতা ঘোষণার পর থেকেই অসন্তোষ দানা বাঁধতে শুরু করেছে।
এনসিপি থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৪ জন কেন্দ্রীয় নেতা পদত্যাগ করেছেন।
জামায়াতের সঙ্গে ঐক্য গঠনের ফলে এনসিপিতে বড় ভাঙন ধরেছে। অন্তত ১৪ জন কেন্দ্রীয় নেতা পদত্যাগ করেছেন।
জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনী আসন সমঝোতা ঘোষণার পর অস্থিরতা শুরু হয়।
পদত্যাগ শুরু হওয়ার পর থেকে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের পরিচিত মুখরা একের পর এক দল থেকে বিদায় নিচ্ছেন।
পদত্যাগ করা নেতাদের মধ্যে রয়েছেন- তাসনিম জারা, তাজনূভা জাবীন, ফারহাদ আলম ভূঁইয়া, আরিফ সোহেল, আজাদ খান ভাসানী, আসিফ নেহাল, মীর হাবিব আল মানজুর, মারজুক আহমেদ, মীর আরশাদুল হক, খালেদ সাইফুল্লাহ, খান মো. মুরসালীন, মুশফিক উস সালেহীন, ওয়াহিদুজ্জামান ও আল আমিন টুটুল।
