ঢাকা: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত। সহিংসতা তো চলছেই ক্রমাগত।
এদিকে আওয়ামী লীগকে ছাড়া কোনো নির্বাচন হলে সেই নির্বাচনে ভোট দিতে কেন্দ্রে যাবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিচ্ছেন জনগণ।
সম্প্রতি এক রিকশাচালক সাংবাদিককে বলছেন, “কারে বাদ দিয়া কথা বলবেন?” “কোনোদিনও যাব না আমি।” অর্থাৎ আওয়ামী লীগ ছাড়া ভোট দেবেন না।
তবে আরো বলেন, “যদি এলাকার ভাই ব্রাদার যদি আমারে জোর জবরদস্তি কইরা লইয়া যায়, যে না গেলে দুই একটা চড় থাপড় মারতে পারে, আছে না? তখন বাধ্যতামূলক যামু।”
এর মাঝেই আওয়ামী লীগের সভাপতির পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের মন্তব্য সামনে এলো।
ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে, নির্বাচন বন্ধ করাই তাঁদের আন্দোলনের প্রধান লক্ষ্য।
সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, “এই মুহূর্তে আমাদের লক্ষ্য হলো নির্বাচন বন্ধ করা। আওয়ামী লীগ নির্বাচন বন্ধ করতে প্রতিবাদ করবে”!
তিনি দাবি করেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নির্বাচন আয়োজনকে কেন্দ্র করে যে বাস্তবতা তৈরি হয়েছে, তাতে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের সম্ভাবনা কম।
জনগণ বলছে, আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন মানে হচ্ছে একটি আত্মঘাতী রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত।
আসলে আওয়ামী লীগ শুধু একটি রাজনৈতিক দল নয় এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা, রাষ্ট্র পরিচালনা ও উন্নয়নের সঙ্গে অবিচ্ছিন্নভাবে জড়িত একটি শক্তি। সেই শক্তিকে বাদ দিয়ে নির্বাচন মানে দেশের একটি বড় জনগোষ্ঠীর ভোটাধিকার কার্যত কেড়ে নেওয়া।
