ঢাকা: বাংলাদেশে চরম হিন্দু নির্যাতন চলছে। হিন্দুদের রীতিমতো পুড়িয়ে মারা হচ্ছে। দীপু দাস, খোকনকে পুড়িয়ে মেরে ফেলেছে ইসলাম মৌলবাদী শক্তি।
মানুষকে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারা – এ কোন বর্বরতা? কোন পৈশাচিকতা দেখাচ্ছে ইউনূসের বাংলাদেশ?
এর আঁচ গিয়ে পড়েছে ২২ গজে। ২০২৬ আইপিএল টুর্নামেন্ট খেলতে পারবেন না বাংলাদেশের তারকা পেজ বোলার মুস্তাফিজুর রহমান।
এ নিয়ে বিতর্ক চলছে যদিও বিষয়টি খুব সেনসিটিভ। এতে পূর্ণাঙ্গ সমর্থন জানান কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্রাক্তন ক্রিকেটার মনোজ তিওয়ারি।
স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বিসিসিআই যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে, তাতে কোনও ভুল নেই। এটা একেবারেই সঠিক সিদ্ধান্ত। এটা আরও আগে গ্রহণ করা উচিত ছিল।
মনোজ বললেন, ‘ আমি বিশ্বাস করি, এটা একেবারে সঠিক সিদ্ধান্ত। তবে এই সিদ্ধান্তটা আরও আগে গ্রহণ করা উচিত ছিল। ব্যাপারটাকে কেন যে এতদিন ধরে ঝুলিয়ে রাখল, সেটাই আমি বুঝতে পারলাম না।’
বলেন, ‘বাংলাদেশে আমাদের এক ভাইকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। এমন ঘটনা একেবারেই মেনে নেওয়া যায় না। যথেষ্ট নিন্দনীয় সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই এহেন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বিসিসিআই।
শুধুমাত্র হিন্দু বলেই নয়, এমন ঘটনা একেবারেই অভিপ্রেত নয়। সেটা বাংলাদেশ হোক কিংবা বিশ্বের যে কোন দেশ। বিসিসিআই যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে, তা একেবারেই সঠিক। আমি এই সিদ্ধান্তকে পূর্ণ সমর্থন করি।’
বাংলাদেশে যেভাবে হিন্দুদের উপর অত্যাচার চালানো হচ্ছে, তা দেখে ভারতীয় ক্রিকেট সমর্থকরা দাবি করেন মুস্তাফিজুরকে যেন কলকাতা নাইট রাইডার্স ছেড়ে দেয়। বাংলাদেশি ক্রিকেটার যেন না থাকে।
অবশেষে শনিবার বিসিসিআই নির্দেশ দেয় ফিজকে যেন রিলিজ করে দেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স। এবং তাই করা হয়।
এদিকে, বিষয়টা বিয়ে উদ্বিগ্ন কোয়াব সভাপতি ও জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ মিঠুন।
গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘আমি কোনোভাবেই খেলাধুলার মধ্যে রাজনীতি পছন্দ করি না। স্পোর্টস আর পলিটিক্স দুটো ভিন্ন জিনিস।’
তিনি আরো বলেন, ‘এটা তো সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটানোর মতোই একটি পদক্ষেপ। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড, বাংলাদেশ সরকার বা বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক দল মোস্তাফিজকে ভারতের মাটিতে গিয়ে আইপিএল খেলতে নিষেধ করেনি।’
মিঠুন উল্টো প্রশ্ন তুলে বলেন,‘কয়েকটি উগ্র ধর্মীয় সংগঠনের অতি উৎসাহী মন্তব্যের জেরে বিসিসিআই ও কেকেআর যে সিদ্ধান্ত নিলো, তারপরও কি বাংলাদেশের ভারতের মাটিতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলা উচিত?’
‘ভারত যদি আমাদের শত্রুর আসনে বসিয়ে তারপর চায় আমরা তাদের মাটিতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলব; তা হওয়ার নয়। আমাদেরও অধিকার আছে আমাদের ক্রিকেটারদের স্বার্থ, নিরাপত্তা ও মর্যাদা সমুন্নত রাখার।’
