ঢাকা: মেরে ফেলা হচ্ছে এক এক করে হিন্দু। মৃত্যুর কাছে হার মানলেন খোকন দাসও। পুড়িয়ে মেরে ফেলেছে তাঁকে ইসলাম মৌলবাদী শক্তি।

এটি শুধু একজন মানুষের মৃত্যু নয়, এটি মানবতার পরাজয়।ভাবুন তো—কেউ নিজের পরিবারের পেট চালানোর জন্য কঠোর পরিশ্রম করছে, আর তাকে পেট্রোল ঢেলে জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে!

আগুন শুধু তার শরীরকেই নয়, পুরো সমাজের আত্মাকেও পুড়িয়ে দিয়েছে।
হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করতে করতে খোকন দাসের প্রতিটি শ্বাস যেন একটি প্রশ্ন করছিল—হিন্দু হওয়াই কি অপরাধ?

আজ্ঞে , এই দেশে হিন্দু হওয়াই অপরাধ!

চার দিন পর বাড়িতে ফিরেছে তাঁর প্রাণহীন নিথর দেহ। খোকন দাসের এমন মৃত্যু মানতে পারছেন না আত্মীয়স্বজন ও গ্রামের মানুষ।

তবে ইউনূসের জামাতি প্রশাসন কিন্তু এখনো হত্যাকারীকে ধরতে পারেনি। পারেনি বলতে ধরেনি। ধরবে কেন? খোকন দাস তো হিন্দু?

হামলার ঘটনার চার দিন পেরিয়ে গেলেও আসামিদের গ্রেপ্তার না করায় ক্ষুব্ধ পরিবারের সদস্যরা ও এলাকার মানুষজন।

নিহত খোকন দাস শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার কনেশ্বর ইউনিয়নের তিলই গ্রামের পরেশ চন্দ্র দাসের ছেলে।

তিনি কেউরভাঙ্গা বাজারে ওষুধ ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ব্যবসা করতেন। কোনো রাজনৈতিক দলের মানুষ নন তিনি।

রাতে তাঁর মরদেহ গ্রামের বাড়ি তিলই ঠাকুরবাড়িতে আনা হয়। রাতেই তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

খোকন দাসের ওপর কারা হামলা করেছিল, তাদের নাম তিনি বলে গিয়েছেন। তাঁর স্বীকারোক্তির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও ছড়িয়ে পড়ে।

ইউনূসের পুলিশ তারপরেও আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

জানা গেছে, খোকন হামলাকারী দুইজনের নাম বলেছেন। তাঁরা হলেন কনেশ্বর এলাকার বাবুল খানের ছেলে সোহাগ খান (২৭) ও সামছুদ্দিন মোল্যার ছেলে রাব্বি মোল্যা (২১)। পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে ওই ঘটনায় অংশ নেওয়া আরেকজনের নাম জানতে পারে। তাঁর নাম পলাশ সরদার (২৫)।

আদৌ এই আসামিরা গ্রেপ্তার হবে কি? আশা নেই। এই জঙ্গী সরকার তা হতে দেবে না।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *