ঢাকা: ৫ আগস্টের পর এককথায় বললে দেশ জঙ্গী রাষ্ট্র হয়ে উঠেছে। এখানে এখন জঙ্গী চাষাবাদ হচ্ছে।

পাকিস্তানের কুখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই তৎপর হয়ে উঠেছে।

নির্বাচন শুধু দেখানো। নির্বাচনের নামে প্রহসন তৈরি করে দেশকে উগ্রবাদী রাষ্ট্রে পরিণত করার এক নীললকশা বাস্তব হতে চলেছে।

‘ন্যাশনাল আর্মড রিজার্ভ’ (এনএআর) নামের একটি নতুন বাহিনী গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে , ৮,০০০ এরও বেশি উগ্র মৌলবাদী তরুণকে নিয়ে গঠিত এই বাহিনীর মূল কাজ হবে দেশের প্রচলিত পুলিশ ব্যবস্থাকে অকেজো করে দেওয়া।

জানলে আরো আতঙ্ক লাগবে যে, মাদ্রাসাগুলোতে বোমা তৈরির কারখানা এবং সশস্ত্র প্রশিক্ষণের মাধ্যমে গড়ে তোলা এই বাহিনী দেশে শরিয়াহ আইন চাপিয়ে দিয়ে মধ্যযুগীয় বর্বরতা কায়েম করতে চায়।

আর এই নিয়ে এখন দেশজুড়ে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

বাংলাদেশে সম্ভাব্য জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে একটি নতুন সশস্ত্র কাঠামো—ন্যাশনাল আর্মড রিজার্ভ (এনএআর)—গঠনের উদ্যোগ ঘিরে দেশজুড়ে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দাবি, পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই ও সে দেশের সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ পরিকল্পনায় বাংলাদেশকে একটি উগ্রপন্থী রাষ্ট্রে রূপান্তরের গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ।

ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর কর্মকর্তারা বলছেন, এনএআর কার্যত পুলিশের বিকল্প শক্তি হিসেবে কাজ করবে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার নামে কট্টর ধর্মীয় বিধান চাপিয়ে দেবে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এটি একটি “ছায়া বাহিনী”, যা সাংবিধানিক কাঠামোর বাইরে থেকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করবে।

এবং এই পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে আছে অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার আব্দুল্লাহিল আমান আজমি। সে প্রয়াত জামায়াতে ইসলামীর আমির গোলাম আজমের পুত্র এবং দীর্ঘদিন ধরে কট্টরপন্থী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।

ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তান প্রথমে তাকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে বসাতে চায়।

নির্বাচন সম্পন্ন হলে সেই পদ বিলুপ্ত করে তাকে এনএআরের শীর্ষ দায়িত্বে বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

আসলে নির্বাচন একটা ফাঁকা আওয়াজ। বাংলাদেশেও পাকিস্তানের মতো একটি অকার্যকর শাসনব্যবস্থা চালু করার তীব্র ষড়যন্ত্র চলছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *