লক্ষ্মীপুর: দেশ জুড়ে হিন্দু নির্যাতন এবং হিন্দু নিধন চলছে। দেশকে হিন্দুশূন্য করার প্রজেক্ট নিয়েছে জিহাদিরা।
এবার কৃষকের পাকা ধান পুড়িয়ে দিয়েছে ধর্মান্ধ, হিন্দু বিদ্বেষীরা।
লক্ষ্মীপুরে সত্যরঞ্জন দাসের ৯৬ শতাংশ জমির পাকা ধান পুড়িয়ে দিয়েছে।
এই ঘটনা ঘটে ১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার আনুমানিক রাত ১১টার দিকে লক্ষ্মীপুর জেলা রামগতি উপজেলার চরগাজী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চরআফজল গ্রামের সামা গ্রামে।
কেন পুড়িয়ে দেয়া হলো? ঐ কৃষক তো দেশবাসীর মুখে অন্ন তুলে দেন। তিনি কার কী ক্ষতি করলেন?
তাঁর অপরাধ তিনি হিন্দু। ক্ষতি করা না করা বিষয় না।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক সত্যরঞ্জন দাস ওই গ্রামের সুবল চন্দ্র দাসের ছেলে। ঘটনার পর তিনি রামগতি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
ভুক্তভোগী কৃষক জানান, তিনি প্রায় ৯৬ শতাংশ জমিতে ধান চাষ করেছিলেন। কয়েকদিন আগে পাকা ধান কেটে মাড়াইয়ের জন্য জমিতেই স্তূপ করে রেখে দেন।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে প্রতিবেশীরা ধানের স্তূপে আগুন জ্বলতে দেখে চিৎকার করলে তিনি তড়িঘড়ি গিয়ে দেখেন, তাঁর জমিতে রাখা সব ধান আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
সত্যরঞ্জন দাস বলেন, “অনেক ধারদেনা করে ধান চাষ করেছি। ধান বাড়িতে তোলার আগেই রাতে দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়ে সব পুড়িয়ে দিয়েছে। কে বা কারা কেন করেছে, তা এখনো বুঝতে পারছি না”।
এই দেশ সংখ্যালঘু হিন্দুদের জন্য নয়। ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করেন তসলিমা নাসরিন।
বিভিন্নভাবে হিন্দুদের ওপর নির্যাতন চলছে দেশে। তসলিমা বলেন, “কে দোষীদের শাস্তি দেবে? দেশের হিন্দুবিদ্বেষী সরকার বাঁশি বাজাচ্ছেন। জিহাদিরা হিন্দু দেখলেই ভারতের দালাল, আওয়ামী লীগের দালাল, ইসকনের দালাল বলে চিৎকার করছে, চিৎকার শুনে মব সন্ত্রাসীরা ছুটে এসে হিন্দুকে পিটিয়ে পুড়িয়ে জান্নাতের ফ্রি টিকিট পকেটস্থ করবে”!
