ঢাকা: ইউনুস সরকারের অধীনে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে যে “অবিরাম শত্রুতা” দেখা যাচ্ছে, তা থামবে কবে? আদৌ থামবে?

শেষপর্যন্ত একজন হিন্দু বিধবা মহিলাকে ধর্ষণ করে গাছে বেঁধে চুল কেটে দেয়া হয়েছে। এগুলো কারা করেছে? এত যে হিন্দু নির্যাতন, জ্বালাও, পোড়াও এগুলো কারা করছে? ইসলাম মৌলবাদী গোষ্ঠী।

তবে ঘটনাগুলো যে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা তা স্বীকার করতে নারাজ ইউনুস সরকার।

অবৈধ ইউনুস সরকারের প্রত্যক্ষ মদদে বাংলাদেশ এখন সংখ্যালঘুদের জন্য এক ভয়ংকর মৃত্যুপুরী। আগুনে পুড়িয়ে, ছুরি মেরে, মিথ্যা শিরোনামে সত্য ঢেকে—এটাই কি নতুন রাষ্ট্রনীতি?

অবৈধ ইউনুস সরকারের নীরবতা ও প্রত্যক্ষ মদদে বাংলাদেশে চলছে পরিকল্পিত সংখ্যালঘু নিধন।
কখনো আগুনে পুড়িয়ে,
কখনো কুপিয়ে,
কখন মিথ্যা মামলায়, কখনো ধর্ম অবমাননার ভুয়া অভিযোগ তুলে চলছে নির্যাতন।

আগুন জ্বলছে বাংলাদেশের বিবেকের ওপর।

বাংলাদেশের নির্বাসিত লেখক তসলিমা নাসরিন বরাবর হিন্দুদের ওপর ঘটে আসা এইসব অত্যাচারের বিরুদ্ধে কথা বলে আসছেন।

তাই মৌলবাদীর টার্গেট ছিলেন তিনি‌। শেষ অবধি দেশ থেকে বিতাড়িত করা হয়।

তিনি আবারো সরব হলেন।

“বাংলাদেশের হিন্দুবিদ্বেষী মুসলমানরা হিন্দুদের বাড়িঘরে আগুন তো দিচ্ছেই, তারা হিন্দুদের পিটিয়ে- কুপিয়ে- ঝুলিয়ে-জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে হত্যা করছে।

দেশের প্রধান সেজে বসা জিহাদি সমর্থক মোঃ ইউনুসের কিছু যায় আসে না জিহাদিরা হিন্দু হত্যা করলে।

হত্যাযজ্ঞ চলছে, তিনি বাঁশি বাজাচ্ছেন। ইতিমধ্যে তাঁর নির্দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে হিন্দুবিদ্বেষী জিহাদিদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারাও তো হিন্দু নিহত হলে পুলক অনুভব করে।

প্রতিদিন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বলি হচ্ছে হিন্দুরা। এরপর শুরু হবে বিশাল এক exodus. বাংলাদেশ যত হিন্দুশূন্য হবে, তত এই দেশ জিহাদিপূর্ণ হবে।

অমানবিকতা, হিংস্রতা, বর্বরতাই হবে দেশের সম্পদ। দেশভাগের অভিশাপ আর কতকাল বহন করবে এই উপমহাদেশ”!

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *