ঢাকা: গত ৫ আগস্ট জামাত-বিএনপি সন্ত্রাসীরা পুলিশকে জিম্মি করে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া থানার সমস্ত অস্ত্র লুট করার পর পুলিশকে ভিতরে রেখেই আগুন জ্বালিয়ে দেয় থানায়।

শুধু চট্টগ্রাম নয়, দেশের বিভিন্ন থানায় অপকর্ম ঘটেছে।

এখনো থানার লুট হওয়া বেশিরভাগ অস্ত্র উদ্ধার হয় নাই।

অথচ মিথ্যাবাদী স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আশ্বাস দিয়ে রেখেছিলেন, নির্বাচনের আগেই সব উদ্ধার হবে।

তিনি এমন সুরেই কথা বলেন।

আরো বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর। বিশেষ করে আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেন কোনোভাবেই বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করেছি।

একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রম আরও জোরদার করাসহ অধিক সক্রিয় ও তৎপর থাকা এবং সব বাহিনীর গোয়েন্দা তথ্য-উপাত্ত সমন্বয় করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আশ্বাস দিলে ইসির এত ভয় কিসের? তাহলে আশ্বাস যে মিথ্যা তা ইসি জানেন?

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অস্ত্রের ব্যবহার ও সন্ত্রাসীদের কদর বেড়ে যাওয়া নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এক ধরনের গান (অস্ত্র) রানিং হয়। অস্ত্রের একটা সঞ্চালন দেখা দেয়। সন্ত্রাসীদের কদর বেড়ে যায়।’

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে আইনশৃঙ্খলা সেলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের পর এখনো উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। ৮৫ শতাংশের কাছাকাছি অস্ত্র উদ্ধার হলেও এখনও আনুমানিক ১৫ শতাংশ অস্ত্র উদ্ধার করা যায়নি। এগুলো খুঁজে পেতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘শতভাগ খুঁজে পাবেন তা আশা করা যায় না। তবে যারা এগুলো নিয়েছে, তাদের চিহ্নিত করতে বা উদ্ধার করতে পারলে মানুষের মধ্যে আস্থা বাড়বে। এছাড়া হারিয়ে যাওয়া অস্ত্র-গোলাবারুদের একটি বড় অংশ এখনো উদ্ধার হয়নি। আনুমানিক ৭০-৭৫ শতাংশ উদ্ধার করা গেছে। বাকিটা এখনও মাঠে আছে। এটাকেও খুঁজে পেতে হবে’।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *