ঢাকা: নির্বাচনের বিষয়ে যারা এখনো সন্দেহ ও সংশয় ছড়াচ্ছেন, তাদের সরকার নজরদারিতে রেখেছে বলেই মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

তা শফিকুল সাহেব এই কথার মধ্য দিয়ে কী বোঝাতে চাইলেন?

নির্বাচন নিয়ে যদি কেউ কথা বলে তাহলেই তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে, জেলে ঢুকানো হবে, শায়েস্তা করা হবে এই তো?

তা বাক স্বাধীনতা কোথায় গেলো তাহলে? ফ্যাসিস্ট মনোভাব প্রকাশ পেয়ে গেলো না অন্তর্বর্তী সরকারের? বাক্ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করা সরকার এখন কী কাজ করছে?

তা অন্তর্বর্তী সরকার আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে কিংবা জামাতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে তো?

তাঁরাও তো নির্বাচন নিয়ে বিশেষ বিশেষ কথা বলেছেন। আসিফ তো নির্বাচনের ধরন নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন। আবার নাকি নির্বাচন রুখেও দেয়া হবে?

আপাতদৃষ্টিতে আরও একটি পাতানো নির্বাচনের চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

ওই চেষ্টা রুখে দিতে ভোটের আগেই মাঠে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দীনের সঙ্গে বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন।

আসিফ বলেন, একটি নির্দিষ্ট দলের প্রতি প্রশাসনের পক্ষপাতিত্ব দেখা গেছে। জনরায় প্রতিষ্ঠার আগেই সরকারি কর্মকর্তাদের একটি দলের চেয়ারপারসনের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়া বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত।

তবে আবারো পুরনো সেটেলমেন্টের পথে গেলে তা রুখে দেয়া হবে। ভোটের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করা হবে না।

এত বিশাল বিশাল কথা বলে দিলেন নির্বাচন নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে কবে ব্যবস্থা হবে?

বাংলাদেশে হিংসাত্মক আন্দোলন চালাচ্ছে কট্টরপন্থী গোষ্ঠী। পরিবেশ অগ্নিগর্ভ করে রাখছে এরাই, আর বক্তব্য দিচ্ছে নির্বাচনের পরিবেশ নেই।

সোমবার জামাত গোষ্ঠী জানিয়েছে, “দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নেই”।

দলের শীর্ষনেতা (আমির) শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের বৈঠকে এই উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

শফিকুর সাহেবের কি ব্যবস্থা হবে এবার?

প্রেস সচিব কী বলেছেন?

‘যারা এখনও সংশয় তৈরি করছে, তাদের প্রোফাইল সরকার স্পষ্টভাবে জানে। তারা আগে কী ছিল, তাদের ভূমিকা কী ছিল? তারা কেন সংশয় ছড়াচ্ছেন? নির্বাচনের ৩৭ দিন বাকি আছে। আমরা মনে করি আমরা খুবই ভালোভাবে প্রস্তুত আছি।

তিনি বলেন, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর আত্মবিশ্বাস আগের চেয়ে আরও বেড়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *