ঢাকা: দেশকে শোষণ করে, বিক্রি করে একদিন চম্পট দেবে এই সরকার। তিনি তো এসেছেন ব্যবসা করতে!

জাতীয়তাবাদের কোনো মূল্য এই দুর্নীতিবাজ ইউনূসের কাছে নেই। সে কারণেই তো এবার লবণচাষীদের ভাতের থালা কেড়ে নিলেন।

এখনো দেশে বিপুল পরিমাণ লবণ মাঠ খালি পড়ে আছে—উৎপাদনের পূর্ণ সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও। তা হলে প্রশ্ন জাগে, এমন পরিস্থিতিতে কেন লবণ আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো?

দেশীয় লবণচাষিদের ঘামঝরা পরিশ্রম উপেক্ষা করে আমদানি নির্ভরতা কি সত্যিই প্রয়োজন ছিল? আগে যদি মাঠের লবণ সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হতো, তাহলে কি এই আমদানির প্রয়োজন পড়ত?

এগুলো নিয়ে মাথাব্যথার দরকার তো নেই সরকারের। তিনি আছেন ব্যবসার লাভ নিয়ে। কৃত্রিম ঘাটতি দেখিয়ে লবণ আমদানি করতে পারলেই শত কোটি টাকার মুনাফা যাবে আমদানিকারক সিন্ডিকেটের পকেটে।

২৪৭ টি প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত (ক্রুড) লবণ আমদানির অনুমতি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

এই সিদ্ধান্তে একদিকে যেমন দেশীয় উৎপাদকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, অন্যদিকে তেমনি দেশের অর্থও বাইরে চলে যাচ্ছে।

দেশীয় উৎপাদনকে উৎসাহিত করবেন তো দূরের কথা উল্টো আমদানির পথে হাঁটলো মন্ত্রণালয় !

বাংলাদেশের মানুষকে কি লবণের জন্যও আমদানিনির্ভর করে ফেলার চিন্তাভাবনা করছে উপদেষ্টারা?

দেশীয় লবণ শিল্পকে ধ্বংস করার জন্য আর কী লাগে!?

প্রান্তিক লবণ চাষিরা মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

অনুমোদনের নির্দেশনায় বলা হয়, ঋণপত্র খোলার সর্বোচ্চ ২ মাসের মধ্যে আমদানি করতে হবে।

এ ক্ষেত্রে অপরিশোধিত লবণ আমদানির করে পরিশোধন করতে হবে। ভোজ্য লবণ হিসেবে বাজারজাত করে তার প্রমাণ দিতে হবে বিসিককে। তা না হলে এসব প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্তির হুঁশিয়ারিও দেয়া হয় অনুমতি পত্রে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *