ঢাকা: এই তো ‘ঝুলাই যোদ্ধা’! ঝুলিয়ে দিচ্ছে দেশকে। সাংবাদিক মেরে ফেলার, সংবাদ প্রতিষ্ঠান জ্বালিয়ে দেয়ার হুমকি দিচ্ছে একদম প্রকাশ্যে! কিচ্ছু হবে না, কোনো শাস্তি নেই তাঁদের।
প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের পর এবার বসুন্ধরার গণমাধ্যম পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিল জুলাই আন্দোলনকারীরা।
কেন তাদেরকে খারাপ বলা হয়? এই অভিযোগে গণমাধ্যম পুড়িয়ে দেবে এই জঙ্গীরা!
বুধবার (৭ জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে এই হুমকি দেয় কথিত শিশু জুলাই আন্দোলনকারী তাহরিমা জান্নাত সুরভী।
এর আগে চাঁদাবাজির মামলায় সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে গাজীপুরের সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এর বিচারক শুনানি শেষে তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
ওই দিনই জুলাই জঙ্গিরা মব করে তাকে জেল থেকে বের করে আনে।
সুরভীকে অপ্রাপ্তবয়স্ক দাবি করে এই রিমান্ড এবং গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে আদালত প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ করে জুলাই জঙ্গী গোষ্ঠী ।
জেল থেকে বের হওয়ার পর সংবাদ সম্মেলনে তিনি বসুন্ধরা মিডিয়াকে প্রথম আলোর মতো পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। ক্ষোভ উগড়ে পড়ে তাঁর।
এই দেশে আর সাংবাদিকদের নিরাপত্তা কোথায়?
২০২৫ সালে সাংবাদিকদের ওপর শারীরিক সহিংসতার ঘটনা প্রবল ছিল। বিশেষ করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ব্যবহার সাংবাদিক গ্রেপ্তার ও আটক করার একটি নতুন এবং ভয়ংকর দমনমূলক কৌশল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
জামাতি ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ধ্বংস হয়েছে।
মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)–এর ২০২৫ সালের মানবাধিকার প্রতিবেদনে দেখা যায়, জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সাংবাদিক ও সংবাদকর্মীদের ওপর হয়রানি, নির্যাতন ও নিপীড়নের অন্তত ৩৮১টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।
জায়গায় জায়গায় সাংবাদিকরা মার খেয়েছেন, তাদের হত্যা করা হচ্ছে। সাংবাদিকদের নির্যাতন, হয়রানি চলছেই।
রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।
ফারুকী কী কম? এই জামাতি লোকজন দেশটাকে খেয়ে ফেলেছে।
তাঁকে তো প্রশ্ন করা যায় না। তিনজন ব্রডকাস্ট সাংবাদিক চাকরি হারিয়েছিলেন।
তাদের অপরাধ ছিল সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীকে কিছু কঠিন কিন্তু যৌক্তিক প্রশ্ন করা।
