ঢাকা: জাতীয় নির্বাচন আগামি ১২ ফেব্রুয়ারি। তবে নির্বাচন আদৌ হচ্ছে কিনা, সে নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। ভোটের কোনো তৎপরতা দেখা যাচ্ছে কি দলগুলোর মধ্যে?
এদিকে নির্বাচনের কথা বলে একটা ভাইব তুলে রাখা হয়েছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নির্বাচনি বা যে কোনো সভা, সমাবেশ, প্রচার-প্রচারণার কাজে ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি ছাড়া কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সমাবেশের অনুমতি না দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
এদিন, রবিবার (১১ জানুয়ারি) ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক বরাবর পাঠানো চিঠিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচনপূর্ব সময়ে আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালনের নির্দেশনা রয়েছে। লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কোনো কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি সেমিনার, সংবর্ধনা, যুবসমাবেশ ইত্যাদির নামে ভোটারদের জমায়েত করে নির্বাচনি প্রচারণার চেষ্টা করছেন।
বল হয়, ভেন্যু হিসেবে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ বা হলরুম ব্যবহার করতে দেখা যাচ্ছে। এগুলো নির্বাচনি আচরণ লঙ্ঘন।
রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি ছাড়া কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সমাবেশের অনুমতি যেন না দেওয়ার হয়, এই বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য নির্দেশক্রমে বলা হলো বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
